শিরোনাম

ঢাকা, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবার ওপর কঠোর চাপ বাড়ানোর ফলে দেশটিতে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। যার প্রভাবে দুটি কানাডিয়ান বিমান সংস্থা দ্বীপরাষ্ট্র কিউবায় তাদের ফ্লাইট পরিষেবা স্থগিত করেছে।
ভেনেজুয়েলা থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ এবং ট্রাম্পের শুল্ক হুমকির কারণে কিউবার বিমানবন্দরগুলোতে জেট ফুয়েলের মজুদ দ্রুত ফুরিয়ে আসছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
জাতীয় বিমান সংস্থা এয়ার কানাডা গত সোমবার জানিয়েছে যে, জ্বালানির অভাবের কারণে ওই দ্বীপে বিমান চলাচল বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে।
এয়ার ট্রান্স্যাট এবং ওয়েস্টজেট উভয়ই কিউবার ফ্লাইট বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে।
১৯৬২ সাল থেকে মার্কিন বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার অধীনে থাকা কিউবা বছরের পর বছর ধরে বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং জ্বালানি, ওষুধ এবং খাদ্যের ঘাটতির কারণে তীব্র অর্থনৈতিক সংকটে জর্জরিত।
ভেনেজুয়েলার সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো গত মাসে এক প্রাণঘাতী মার্কিন সামরিক অভিযানে ক্ষমতাচ্যুত হয়। কিউবা দীর্ঘদিন ধরে ভেনেজুয়েলার জ্বালানি নির্ভর। মার্কিন শুল্কের হুমকির কারণে মেক্সিকো থেকে গুরুত্বপূর্ণ তেল সরবরাহও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন যে, দ্বীপরাষ্ট্রটিকে তেল সরবরাহকারী দেশের ওপর শুল্ক আরোপ করা হবে। ওই সব দেশ ‘পতনের জন্য প্রস্তুত’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
এয়ার ট্রান্স্যাট জানিয়েছে যে, গত কয়েক ঘন্টার দ্রুত ঘটনাবলী এবং গন্তব্য বিমানবন্দরগুলোতে বিমান জ্বালানির ঘাটতির আশঙ্কায় তারা ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত কিউবার সব ফ্লাইট বাতিল করেছে।
এয়ারলাইনটি আরও জানিয়েছে, ‘পরিস্থিতি কীভাবে এগোয় তার ওপর নির্ভর করে কিউবার ফ্লাইটগুলো আগামী ১ মে ২০২৬ থেকে পুনরায় শুরু হতে পারে, পাশাপাশি তারা বর্তমানে কিউবায় থাকা যাত্রীদের দেশে ফেরানোর ব্যাপারে যোগাযোগ করবে।
এদিকে ওয়েস্টজেট এক বিবৃতিতে বলেছে যে, যাত্রী ছাড়াই কিউবায় বিমান পাঠানো হবে। কিউবার স্থানীয় জ্বালানি সরবরাহের ওপর নির্ভরতা কমাতে বা সময় বাঁচাতে বিমানগুলোতে অতিরিক্ত জ্বালানি নিয়ে যাওয়া হবে, যাতে সেখান থেকে যাত্রীদের ফেরার সময় রিফুয়েলিংয়ের প্রয়োজন না হয়।