শিরোনাম

ঢাকা, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : মিনিয়াপোলিসে বিক্ষোভ চলাকালে এক নার্সকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মার্কিন অভিবাসন এজেন্টরা ‘প্রটোকল’ ভেঙে থাকতে পারেন বলে স্বীকার করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শীর্ষ উপদেষ্টা স্টিফেন মিলার।
এই স্বীকারোক্তি এমন এক সময়ে এলো, যখন ট্রাম্প প্রশাসন মিনিয়াপোলিসে উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
গত শনিবার অভিবাসনবিরোধী অভিযানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলাকালে ৩৭ বছর বয়সী নার্স অ্যালেক্স প্রেট্টি নিহত হন।
হোয়াইট হাউসের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ এবং ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির রূপকার স্টিফেন মিলার
মঙ্গলবার এএফপিকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, বিষয়টি এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ওই গ্রেফতার অভিযানে অংশ নেওয়া দলটি যেন বিক্ষোভকারীদের শারীরিকভাবে বাধা প্রদানের মাধ্যমে যথাযথভাবে প্রতিহত করতে পারে, সেই জন্যই মিনেসোটায় অতিরিক্ত সদস্য পাঠানো হয় আর এ ব্যাপারে হোয়াইট হাউসের ‘স্পষ্ট নির্দেশনা’ ছিল।
মিলার বলেন, ‘কিন্তু কেন কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) দল সেই প্রটোকল অনুসরণ করেনি, সেই বিষয়টিকে আমরা খতিয়ে দেখছি।’
এর আগে শনিবার মিলার নিহত প্রেট্টিকে ‘সম্ভাব্য ঘাতক’ বলে আখ্যা দেন এবং অভিযোগ করেন যে তিনি ফেডারেল এজেন্টদের হত্যা করতে চেয়েছিলেন।
তবে পরে তিনি বলেন, এই মন্তব্য তিনি দিয়েছিলেন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (ডিএইচএস) প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে।
ডিএইচএস সচিব ক্রিস্টি নোয়েম শুরুতে দাবি করেছিলেন, প্রেট্টি অস্ত্র হাতে নিয়ে এজেন্টদের দিকে এগিয়ে আসছিলেন। তবে পরে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায় যে গুলির সময় তার হাতে কোনো অস্ত্র ছিল না।
যদিও প্রেট্টির কাছে একটি সাইডআর্ম ছিল, তবে গুলিবর্ষণের আগেই এজেন্টরা সেটি তার কাছ থেকে সরিয়ে নেয়।
এরপর তাকে খুব কাছ থেকে একাধিকবার গুলি করা হয়।
মিলার বলেন, ‘ডিএইচএস-এর প্রাথমিক বিবৃতি ছিল ঘটনাস্থলে থাকা সিবিপি সদস্যদের দেওয়া প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে।’