বাসস
  ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬:৫৭

জাতিসংঘের জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগ ‘ভিত্তিহীন’: চীন

ঢাকা, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের চীনে সংখ্যালঘুদের ওপর জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগ ও উদ্বেগকে শুক্রবার ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে বেইজিং।

বেইজিং থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

জাতিসংঘের বিশেষ দূত ও অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা বৃহস্পতিবার বলেন, চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় সিনজিয়াং ও অন্যান্য এলাকায় সংখ্যালঘুদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রীয় জোরপূর্বক শ্রমের অভিযোগ অব্যাহত রয়েছে।

এই বিষয়ে মন্তব্য চাওয়া হলে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘মানহানি সহ্য করা হবে না।’

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গু জিয়াকুন নিয়মিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘কিছু বিশেষজ্ঞের তথাকথিত উদ্বেগ সম্পূর্ণ সাজানো এবং মূলত ভিত্তিহীন।’

গুআরও আরও বলেন, ‘আমরা বিশেষজ্ঞদের আহ্বান জানাই, তারা যেন নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেন এবং কোনোভাবেই চীন বিরোধী শক্তির হাতিয়ার বা সহযোগীতে পরিণত না হন।’ 

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা যৌথ বিবৃতিতে জানান, রাষ্ট্রীয়ভাবে পরিচালিত ‘শ্রমের মাধ্যমে দারিদ্র্য নির্মূল’ প্রোগ্রামের মাধ্যমে জোরপূর্বক শ্রম নেওয়ার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে উইঘুর ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের কাজের জন্য বাধ্য করা হচ্ছে। শুধু সিনজিয়াং নয়, বিষয়টি অন্যান্য অঞ্চলেও প্রযোজ্য।

তারা আরও জানায়, একই ধরনের কর্মসূচির মাধ্যমে তিব্বতিদেরও জোরপূর্বক শ্রমের সম্মুখীন হতে হচ্ছে এবং ২০২৪ সালে প্রায় সাড়ে ছয় লাখ মানুষ এই শ্রম স্থানান্তরের আওতায় পড়েছে।

বেইজিং বারবার এই ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, এই কর্মসূচি দারিদ্র্য কমানোর জন্য সুবিধাজনক ও ভালো বেতনের চাকরি প্রদান করছে। নিম্ন আয়ের গ্রামীণ মানুষরা এতে বিশেষভাবে উপকৃত হচ্ছে।

গু জিয়াকুন শুক্রবার বলেন, ‘সিনজিয়াং ও তিব্বতে উন্নয়ন ও অগ্রগতি সকলের চোখে স্পষ্ট দেখা যায়।’