শিরোনাম

ঢাকা, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : গুয়াতেমালায় নয়জন পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যা এবং বেশ কয়েকটি কারাগারে দাঙ্গার পর দেশটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার দেশের নাগরিকরা দলগত সহিংসতা দমনের জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
গত রোববার, নিরাপত্তা বাহিনী কারাগারে বিদ্রোহ দমন করায় কুখ্যাত ব্যারিও ১৮ গ্যাংয়ের সন্দেহভাজন সদস্যরা পুলিশের ওপর একের পর এক হামলা চালায়।
গত রোববার আটজন কর্মকর্তা নিহত হন এবং সোমবার একজন আহত অবস্থায় মারা যান।
দেশটির প্রেসিডেন্ট বার্নার্ডো অ্যারেভালো গত রোববার সহিংসতার কারণে ৩০ দিনের জন্য দেশটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।
গতকাল সোমবার, তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিহত পুলিশ কর্মকর্তাদের স্মরণে এক স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন।
রাজধানী গুয়াতেমালা সিটির রাস্তাগুলো আংশিকভাবে জনশূন্য ছিল এবং বেসরকারি স্কুল, আদালত এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ ছিল।
রাজধানী গুয়াতেমালা সিটির সড়ক এবং প্রাইভেট স্কুল, আদালত ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখা হয়েছে।
গুয়াতেমালা সিটির ঐতিহাসিক কেন্দ্রে একটি বেঞ্চে বসে থাকা আশি বছর বয়সী এক ব্যক্তি এএফপিকে বলেন, ‘তার বিশ্বাস অপরাধী গ্যাং নির্মূল করার একমাত্র উপায় হলো ‘ওদের পুড়িয়ে ফেলা।’
এস্পানা বলে পরিচয় দেওয়া ওই ব্যক্তি বলেন, ‘একজন অপরাধী ধরা পড়লে, অপরাধীকে হত্যা করতে হবে, কারণ অন্য কোনো ওপায় নেই, এটা গাছের মতো, শিকড় উপড়ে না ফেললে আবার গজাবে।’
তিনি গুয়েতেমালার সরকারকে প্রতিবেশী এল সালভাদরের প্রেসিডেন্ট নায়েব বুকেলের কঠোর নীতি অনুসরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অংশ হিসেবে বুকেলে হাজার হাজার পুরুষকে কোনও অভিযোগ ছাড়াই কারারুদ্ধ করেছেন, যার ফলে এল সালভাদরে হত্যার হার তীব্রভাবে হ্রাস পেয়েছে। তবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়েছে।
৩০ বছর বয়সী দোকানদার আলেজান্দ্রা ডোনিসও বুকেলকে নেতৃত্বের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন।