শিরোনাম

ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : গুয়াতেমালার প্রেসিডেন্ট গতকাল রোববার অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দেশব্যাপী ৩০ দিনের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। কর্তৃপক্ষ এই দলগুলোর বিরুদ্ধে আট পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যা এবং তিনটি কারাগার জিম্মি করার অভিযোগ এনেছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
গুয়াতেমালার রাজধানী এবং আশেপাশের এলাকায় এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এর একদিন আগে দেশটির তিনটি কারাগারে গ্যাং-সংশ্লিষ্ট বন্দীরা ৪৬ জনকে জিম্মি করে বন্দী গ্যাং নেতাদের কম নিরাপত্তার কেন্দ্রে স্থানান্তরের দাবি জানায়।
প্রেসিডেন্ট বার্নার্ডো আরেভালো বলেছেন, কর্তৃপক্ষ রোববার তিনটি কারাগারের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করেছে।
কয়েক ঘন্টা আগে, গুয়াতেমালার পুলিশ ঘোষণা করেছে, ‘দায়িত্ব পালনের সময় অপরাধীদের হাতে আমাদের আটজন কর্মকর্তা নিহত হয়েছে।’
দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো আন্তোনিও ভিলেদা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘এই সন্ত্রাসীরা গুয়াতেমালার রাষ্ট্র কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায়’ এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
তিনি বলেন, প্রতিশোধমূলক হামলায় আরও দশজন পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন এবং একজন সন্দেহভাজন গ্যাং সদস্য নিহত হয়েছেন।
গতকাল রোববার সন্ধ্যায়, দেশব্যাপী এক ভাষণে, আরেভালো গ্যাংগুলোর বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ৩০ দিনের জন্য দেশব্যাপী জরুরি অবস্থা জারি করেছেন, যা অবিলম্বে শুরু হবে।
‘এই পদক্ষেপটি বিরোধীপক্ষের নিয়ন্ত্রণাধীন কংগ্রেস দ্বারা অনুমোদিত হতে হবে, সমাবেশের অধিকার স্থগিত করে এবং ব্যক্তিদের আদালতের আদেশ ছাড়া গ্রেফতার ও জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেয়।’
গুয়াতেমালায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস তার কর্মীদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে এবং ভিড় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে, অন্যদিকে সরকার জানিয়েছে যে, সোমবার স্কুল বন্ধ থাকবে।