বাসস
  ১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২০

মাদক সহিংসতা দমনে উপকূলীয় প্রদেশে ১০ হাজার সেনা মোতায়েন করলো ইকুয়েডর

ঢাকা, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : মাদক পাচারকারী চক্রের সহিংসতা দমনে ইকুয়েডরের উপকূলীয় তিনটি প্রদেশে ১০ হাজার সেনা মোতায়েন করেছে দেশটির সরকার।

গতকাল শুক্রবার দেশটির প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়ার সরকার এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে। 

খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। 

এক সময় শান্তিপূর্ণ হিসেবে পরিচিত দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে সাম্প্রতিক সময়ে হত্যা ও সহিংস অপরাধের হার রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় কঠোর হওয়ার অঙ্গীকার করেছে।

ইকুয়েডরের বিমান বাহিনীর জেনারেল মারিও বেদোয়া সাংবাদিকদের জানান, গুয়ায়াস, মানাবি ও লস রিওস প্রদেশে নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদারে বিশেষ বাহিনীর শত শত সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, দেশটির প্রধান মৎস্য বন্দর মান্তায়ও সামরিক সদস্যবাহী বিমান পাঠানো হয়েছে।

ইকুয়েডর বিশ্বের শীর্ষ দুই কোকেন রপ্তানিকারক দেশ কলম্বিয়া ও পেরুর মাঝখানে অবস্থিত। মেক্সিকান ও কলম্বিয়ান মাদক চক্রের সঙ্গে যুক্ত অপরাধ সংগঠনগুলোর তৎপরতায় দেশটিতে সহিংসতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।

পাড়া-মহল্লা ও জনসমাগমস্থলে হত্যাকাণ্ড ও সংঘর্ষ এখন দেশটিতে নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

জেনেভা ভিত্তিক অর্গানাইজড ক্রাইম অবজারভেটরির তথ্যমতে, ২০২৫ সালে ইকুয়েডরে প্রতি এক লাখ বাসিন্দার মধ্যে ৫২টি হত্যা ঘটেছে । অর্থাৎ প্রতি ঘণ্টায় একটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে দেশটিতে। 

দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ‘নিরাপত্তা বিঘ্নিত করলে, তার পরিণতি হবে কারাগার অথবা নরক।’

প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জিয়ান কার্লো লোফ্রেদো সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের গুয়ায়াকিল বন্দরনগরী থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন।

সেখানে মাদকপাচারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দরগুলোতে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে সেনারা।