শিরোনাম

ঢাকা, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল বৃহস্পতিবার একটি জরুরি আইন প্রয়োগের হুমকি দিয়েছেন। এই আইন অভ্যন্তরীণভাবে সেনাবাহিনী মোতায়েনের অনুমতি দেবে।
গত বুধবার ফেডারেল এজেন্টদের গুলি চালানোর ফলে একজন পুরুষকে আহত এবং গত সপ্তাহে একজন নারীকে হত্যা করার দুটি ঘটনার পর মিনেসোটাতে বিক্ষোভ উত্তাল হয়ে ওঠে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ডেমোক্র্যাটদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত উত্তরাঞ্চলীয় শহরে সমাবেশে ট্রাম্পের ব্যাপক অভিবাসন অভিযানে সংঘটিত সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।
ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এই বিদ্রোহ দমনের জন্য ১৯ শতকের একটি আইন (বিদ্রোহ আইন) প্রয়োগের হুমকির পুনরাবৃত্তি করেছেন। এই আইনটিকে ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রয়োগ করা হয়নি।
ট্রাম্প বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে লেখেন, ‘যদি মিনেসোটার দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদরা আইন না মানেন এবং পেশাদার আন্দোলনকারী ও বিদ্রোহীদের আইসিই’র দেশ প্রেমিকদের ওপর আক্রমণ করা থেকে বিরত না রাখেন, তাহলে আমি ইনসার্কশন অ্যাক্ট প্রয়োগ করব। ’
ট্রাম্প ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনের তার অভিযানকে বাধাগ্রস্ত করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও আদালতের সিদ্ধান্তের প্রতি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, কারণ তিনি অভিবাসন বিরোধী এজেন্ডা জোরদার করছেন।
ডেমোক্র্যাটিক মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজ গত বুধবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ পোস্ট করা একটি ভিডিওতে, ফেডারেল এজেন্টদের ‘মিনেসোটার জনগণের বিরুদ্ধে সংগঠিত বর্বরতার অভিযান’ চালানোর জন্য অভিযুক্ত করেছেন।
এ সময় তিনি ‘মানুষের বাড়ির জানালা ভাঙ্গচুর, গর্ভবতী নারীদের রাস্তায় টেনে নামানো’ ও গত ৭ জানুয়ারি ৩৭ বছর বয়সী রেনি গুডের হত্যার মতো ব্যাপক সহিংস ঘটনার কথা উল্লেখ করেন।
ওয়ালজ আরও বলেন, ‘আমাদের জোরালোভাবে ও জরুরি ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানাতে হবে।’
তিনি ট্রাম্প ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘এই দখলদারিত্ব বন্ধ করুন, আপনারা যথেষ্ট করেছেন।’