বাসস
  ২৬ মার্চ ২০২৬, ১৮:৩৩

পবিপ্রবিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত

ছবি : বাসস

পটুয়াখালী, ২৬ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : যথাযোগ্য মর্যাদায় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) আজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। 

জাতীয় পতাকা উত্তোলন, পুষ্পস্তবক অর্পণ, স্বাধীনতা দিবস র‌্যালি, বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ, আলোচনা সভা, শিশু কিশোরদের প্রতিযোগিতা, দোয়া এবং প্রার্থনাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি উদযাপিত হয়।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং সাড়ে ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর শহীদদের প্রতি পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইউট্যাব এর সাধারণ সম্পাদক প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান। 

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউট্যাব এর সভাপতি ও বেসিক সায়েন্স বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মামুন অর রশিদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, প্রভোস্ট কাউন্সিল, ইউট্যাব, জিয়া পরিষদ, পবিপ্রবি ছাত্রদল, রোভার, ইএসডিএম ক্লাব ও বাধনসহ বিভিন্ন সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সকাল ১১টায় কৃষি অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্বাধীনতা দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি ও বেসিক সায়েন্স বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মামুন অর রশিদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আমাদের বীরত্ব, আত্মত্যাগ ও গৌরবের এক অবিস্মরণীয় স্মারক। ১৯৭১ সালের এই দিনে জাতি স্বাধীনতার শপথ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করে এবং দীর্ঘ সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জন করে স্বাধীনতা।

তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করেন এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। তিনি বলেন, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান জাতিকে সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রারম্ভিক পর্যায়ে সম্মুখ যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

প্রো-ভিসি আরও উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার পর শহীদ জিয়াউর রহমান দেশের গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও অর্থনৈতিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে কাজ করেন। তাঁর আদর্শ গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও স্বনির্ভরতা আজও জাতি গঠনে প্রেরণা জোগায়। 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন, আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর মো. জামাল হোসেন, কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর জহিরুল হক, প্রফেসর ড. মো. হাবিবুর রহমান, প্রফেসর ড. মো নিজাম উদ্দিন, প্রফেসর ড. মাসুদুর রহমান, প্রফেসর ড.কামাল হোসেন, প্রফেসর ড. শহিদুল ইসলাম, প্রফেসর ড. খোকন হোসেন, সহকারী রেজিস্ট্রার মো. রিয়াজ কাঞ্চন শহীদ, মাহমুদ আল জামান, লোকমান হোসেন মিঠু, শাহাদাৎ হোসেন নান্টু এবং কর্মচারী বেল্লাল হোসেন ও মো. মোশারেফ হোসেন প্রমুখ।

এছাড়াও কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাদ যোহর কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া ও মোনাজাত এবং দুপুর ১২টায় কেন্দ্রীয় মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। এ অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।