বাসস
  ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৩:২৮

ডিএনসিসি প্রশাসক বিষয়ে বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার শনাক্ত করেছে বাংলাফ্যাক্ট

ছবি: বাংলাফ্যাক্ট

ঢাকা, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের মেয়াদ শেষ হয়েছে, তাকে অপসারণ করা হয়নি। 

বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে বলে সনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।

বাংলাফ্যাক্ট জানায়, ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের মেয়াদ শেষ হয়েছে, তাকে অপসারণ করা হয়নি।

বাংলাফ্যাক্ট যাচাই করে দেখেছে, ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি মোহাম্মদ এজাজকে এক বছরের জন্য পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। 

তার এক বছরের এই মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায়, নতুন প্রশাসক হিসেবে স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সুরাইয়া আক্তার জাহানকে ডিএনসিসি’র নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বাংলা ফ্যাক্টের যাচাইয়ে দেখা যায়, অপসারণ নয়, বরং মোহাম্মদ এজাজের মেয়াদ শেষ হয়েছে। ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি মোহাম্মদ এজাজকে এক বছরের জন্য পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। 

এক বছর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ায় ডিএনসিসি’র নতুন প্রশাসক হিসেবে স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সুরাইয়া আক্তার জাহানকে  দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ফেসবুকে নতুন প্রশাসক নিয়োগের প্রজ্ঞাপন শেয়ার দিয়ে প্রচার করা হচ্ছে, মোহাম্মদ এজাজকে অপসারণ করা হয়েছে। 

কিন্তু ওই প্রজ্ঞাপনে কেবল নতুন প্রশাসক নিয়োগের কথা বলা হয়েছে, মোহাম্মদ এজাজ সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। 

মোহাম্মদ এজাজকে অপসারণের খবরটি সঠিক নয়। বরং চুক্তি অনুযায়ী প্রশাসক হিসেবে মোহাম্মদ এজাজের মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে শনাক্ত করেছে বাংলাফ্যাক্ট।

ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ভারতীয় গণমাধ্যম, ভারত থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং দেশের কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে নানা ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। 

এ সব অপতথ্য বিশেষ করে অন্তর্বর্তীকাল সরকার, চব্বিশের আন্দোলনে অংশ নেওয়া দল ও সংগঠনকে লক্ষ্য করে ছড়ানো হচ্ছে।

‘বাংলা ফ্যাক্ট’ প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবি’র ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম, যারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট। 

বাংলাদেশে চলমান গুজব, ভুয়া খবর ও অপতথ্য প্রতিরোধ করে জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ায় দায়িত্ব পালন করছে বাংলাফ্যাক্ট।