শিরোনাম

ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : বাংলাদেশের ন্যায্য ও টেকসই জ্বালানি রূপান্তরের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে যৌথ উদ্যোগ নিয়েছে জার্মান উন্নয়ন সহযোগিতা ও বাংলাদেশ পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট (বিপিএমআই)।
এর অংশ হিসেবে ‘স্কিলস ডেভেলপমেন্ট ফর সাসটেইনেবল এনার্জি সলিউশনস’ (স্কিলস৪এসই) প্রকল্পের আওতায় সৌর ও বায়ুশক্তিবিষয়ক বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। গত চার মাসে ৭৭ জন পেশাজীবী এ প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন। তাদের মধ্যে ৬৪ জন সোলার ফটোভোলটাইক এবং ১৩ জন বায়ুবিদ্যুৎ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।
জার্মান ফেডারেল মিনিস্ট্রি ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিএমজেড) পক্ষে জিআইজেড বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের লক্ষ্য টেকসই জ্বালানি রূপান্তরের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের প্রকৌশল পেশাজীবীদের দক্ষতা বাড়ানো।
এই উদ্যোগের অগ্রগতি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আজ ঢাকায় ‘জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন: অপরচুনিটিজ অ্যান্ড চ্যালেঞ্জেস ইন ডেভেলপিং এ স্কিলড ওয়ার্কফোর্স ফর দ্য পাওয়ার সেক্টর’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সরকার, ইউটিলিটি সংস্থা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সোলার ফটোভোলটাইক, বায়ুবিদ্যুৎ, ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম ও হাইব্রিড নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবস্থার মতো খাতে দক্ষ জনশক্তির বাড়তে থাকা চাহিদা নিয়ে আলোচনা হয়।
ঢাকাস্থ জার্মান দূতাবাসের কাউন্সেলর ও উন্নয়ন সহযোগিতা বিভাগের প্রধান উলরিখ ক্লেপমান বলেন, ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তরের জন্য শুধু নীতি, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি নয়, আধুনিক জ্বালানি অবকাঠামো পরিকল্পনা ও পরিচালনায় সক্ষম দক্ষ জনশক্তিও প্রয়োজন।
তিনি বলেন, বিপিএমআইয়ের সঙ্গে জার্মান উন্নয়ন সহযোগিতার এ উদ্যোগ জাতীয় প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়ানো এবং ভবিষ্যতের জনশক্তির চাহিদা পূরণে একটি ভালো উদাহরণ।
অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ বিভাগ, টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (স্রেডা) প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন অংশীজন বিপিএমআইয়ের পাঠ্যক্রমকে শিল্প খাতের চাহিদার সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দক্ষতা উন্নয়নের একটি শীর্ষস্থানীয় কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান শক্তিশালী করার সুপারিশ করেন।