বাসস
  ১৪ জুলাই ২০২৬, ১৯:৪০

এলডিসি-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এফটিএ ও অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারের আহ্বান ঢাকা চেম্বারের

ঢাকা, ১৪ জুলাই, ২০২৬ (বাসস): এলডিসি-পরবর্তী সময়ে বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা মোকাবিলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি, রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণে সম্ভাবনাময় দেশগুলোর সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষর ও অর্থনৈতিক কূটনীতি আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে ঢাকা চেম্বার।

আজ মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। ডিসিসিআইর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, আফ্রিকাসহ সম্ভাবনাময় দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সহায়ক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকার ও বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগ ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, আফ্রিকার দেশগুলোতে বাংলাদেশের উৎপাদিত পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, ফলমূল এবং সিরামিক পণ্যের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে দেশীয় উদ্যোক্তাদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এলডিসি-পরবর্তী সময়ে দেশের বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বেসরকারি খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি, রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

সাক্ষাৎকালে তাসকীন আহমেদ বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে বাণিজ্যিক সম্ভাবনাময় দেশগুলোর সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের পাশাপাশি সহযোগিতামূলক অন্যান্য কার্যক্রমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি বলেন, আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকারের অর্থনৈতিক কূটনীতি কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

ডিসিসিআই সভাপতি বিশেষ করে আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে কন্ট্রাক্ট ফার্মিং, তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃষি খাতে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরাসরি পেমেন্ট ব্যবস্থা সহজীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সাক্ষাৎকালে ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মান, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ড. এ কে এম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি অনুবিভাগের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ মুনতাসির মামুন উপস্থিত ছিলেন।