বাসস
  ২২ জুন ২০২৬, ১৮:৫৬

পেনশন প্রক্রিয়া দ্রুত ও স্বচ্ছ করতে অনলাইন ট্র্যাকিং পদ্ধতি চালুর অগ্রগতি পর্যালোচনা  

বাংলাদেশের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি) মো. নূরুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা, ২২ জুন, ২০২৬ (বাসস): দেশের পেনশনভোগীদের পেনশন প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও জবাবদিহিমূলক করতে অনলাইন পেনশন ট্র্যাকিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ওপিটিএমএস) চালু করতে যাচ্ছে সরকার। এর ফলে একজন পেনশনভোগী অনলাইনে নিজেই জানতে পারবেন তার পেনশন ফাইল কোন কার্যালয়ে এবং কোন পর্যায়ে রয়েছে।

ওপিটিএমএস পদ্ধতি চালু করতে আজ সোমবার এর অগ্রগতি পর্যালোচনায় এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বাংলাদেশের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (সিএজি) মো. নূরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সিএজি কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের (সিজিএ) কার্যালয়, কন্ট্রোলার জেনারেল ডিফেন্স ফাইন্যান্স (সিজিডিএফ) কার্যালয় এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অর্থ) কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

সভায় ওপিটিএমএসের সর্বশেষ অগ্রগতির ওপর একটি উপস্থাপনা তুলে ধরা হয়। এতে জানানো হয়, হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, সিজিডিএফ এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অর্থ) কার্যালয়ে অবসর-উত্তর (পোস্ট-রিটায়ারমেন্ট) কার্যক্রমে অটোমেশনের সফলতার ধারাবাহিকতায় অবসর-পূর্ব (প্রি-রিটায়ারমেন্ট) পর্যায়ের কার্যক্রমও ডিজিটাল ও স্বয়ংক্রিয় করার লক্ষ্যে এ সিস্টেম প্রস্তুত করা হয়েছে। উপস্থাপনায় বলা হয়, ওপিটিএমএস চালু হলে পেনশন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও সেবার গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

সভায় সিএজি মো. নূরুল ইসলাম সিস্টেমটির সফল ও দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সিজিএ, সিজিডিএফ এবং বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অর্থ) কার্যালয়কে এসপিএফএমএস কর্মসূচির সংশ্লিষ্ট কারিগরি দলের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও সর্বাত্মক সহযোগিতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।

তিনি ওপিটিএমএসে সিজিএ কার্যালয়ের সুপারিশসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা, সিজিডিএফ ও বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রয়োজনীয় বিজনেস প্রসেস দ্রুত প্রস্তুত ও প্রেরণ, ইএলপিসি (ইএলপিসি) ইস্যুর ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন এবং সার্ভিস স্টেটমেন্ট সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের মাধ্যমে পেনশনভোগীদের ভোগান্তি কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশনা দেন।

সভায় সিএজি আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগে ওপিটিএমএস দ্রুত পূর্ণাঙ্গ রূপ লাভ করবে। এর মাধ্যমে দেশের পেনশনভোগীরা আরও স্বচ্ছ, সময়োপযোগী ও প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল পেনশন সেবা পাবেন।