শিরোনাম

ঢাকা, ১৬ জুন, ২০২৬ (বাসস) : বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দক্ষ নেতৃত্ব, সমন্বিত টিমওয়ার্ক এবং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার মাধ্যমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আগামী দিনে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ ভূমিকা পালন করবে।
নবনিযুক্ত বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খানের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে যোগদান উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক পরিচিতি অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব, উপসচিবসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের একাধিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে। এসব গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় আরও দক্ষতার সঙ্গে অংশগ্রহণের জন্য এফটিএ টিম সম্প্রসারণ ও শক্তিশালী করা হবে। পাশাপাশি নতুন দক্ষ জনবল ও বিশেষায়িত দক্ষতা সংযোজন করা হবে।
তিনি জানান, ভবিষ্যতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হলে আরও বড় ও দক্ষ টিম গঠন করতে হবে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সক্ষমতা বৃদ্ধি ও দক্ষতা উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নেওয়া হবে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহযোগী সংস্থাগুলো এ বিষয়ে বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মেধাবী ও যোগ্য কর্মকর্তারা যাতে তাদের দক্ষতা ও সম্ভাবনা পুরোপুরি কাজে লাগানোর সুযোগ পান, সে পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। কোনো ধরনের অপ্রয়োজনীয় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করে যোগ্য ব্যক্তিদের উৎসাহিত করারও আহ্বান জানান তিনি।
নবনিযুক্ত বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান বলেন, বর্তমান সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা, আগামী অর্থবছরের পরিকল্পনা এবং পাঁচ বছর মেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্যসমূহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি বলেন, কৃষি, শিল্প, শ্রম ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যেসব বিষয় জড়িত রয়েছে, সেগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে।
বিদেশে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক মিশনগুলোর কার্যক্রম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সময়ের চাহিদা অনুযায়ী এসব মিশনকে আরও লক্ষ্যভিত্তিক ও ফলাফলনির্ভর হতে হবে। পাশাপাশি নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে মিশনগুলোর কর্মদক্ষতা নিয়মিত মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।