বাসস
  ২৮ জুন ২০২৬, ১০:২০

কেন, বেলিংহামের গোলে পানামাকে হারিয়ে গ্রুপের শীর্ষস্থান দখল ইংল্যান্ডের

ঢাকা, ২৮ জুন, ২০২৬ (বাসস) : জুড বেলিংহামের এক গোল ও এক এ্যাসিস্টে শনিবার গ্রুপের শেষ ম্যাচে পানামাকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে এল-গ্রুপের শীর্ষ দল হিসেবে নক আউট পর্বে উঠেছে ইংল্যান্ড। 

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ৬২ মিনিটে বেলিংহামের গোলে ডেডলক ভাঙ্গে ইংল্যান্ড। এরপর তার ক্রসে কেন ব্যবধান দ্বিগুন করেন। এটি ছিল কেনের এবারের আসরের তৃতীয় গোল। 

গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে ঘানার সাথে হতাশাজনক ড্রয়ে পর গতকালও বেলিংহামের গোলের আগে ইংল্যান্ড সেই পথেই হাঁটছিল। যদিও শেষ পর্যন্ত থমাস টাচেলের দল জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে। আগামী বুধবার আটালান্টায় শেষ ৩২’র ম্যাচে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ অন্য গ্রুপের সেরা তৃতীয় একটি দল। 

ম্যাচ শেষে টাচেল বলেন, ‘এই জয় প্রত্যাশিত ছিল। বিশেষ করে শারিরীক ভাবে শক্তিশালী একটি দলের বিপক্ষে ম্যাচটি কঠিন হবে বলে ধরে নেয়া হয়েছিল। পানামা এমন একটি দল যাদের বিপক্ষে গোল করা কঠিন। তবে আমরা বেশ কিছু সুযোগ তৈরী করেছি এবং দুটি গোলও আদায় কওে নিয়েছি। কিন্তু এখন আমাদের আরও উন্নতি করতে হবে।’

এদিকে ফিলাডেলফিয়ায় ঘানাকে ২-১ গোলে পরাজিত করে ইংল্যান্ডের পরে গ্রুপের দ্বিতীয় দল হিসেবে পরের রাউন্ট নিশ্চিত করেছে ক্রোয়েশিয়া। তাদের এই জয় সেরা তৃতীয় দল হিসেবে স্কটল্যান্ডের পরের রাউন্ডে যাওয়ার আশা শেষ হয়ে গিয়েছে। এই গ্রুপ থেকে ইংল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ও ঘানা শেষ ৩২ নিশ্চিত করেছে।

ঘানার বিপক্ষে ম্যাচের থেকে শুরুর একাদশে পাঁচটি পরিবর্তন আনেন টাচেল। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল মিডফিল্ডে ডিক্লান রাইসকে বিশ্রাম দেওয়া। উইংয়ে বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো শুরুর একাদশে সুযোগ পান মার্কোস রাশফোর্ড ও বুকায়ো সাকা।

ম্যাচের প্রথম ১০ মিনিটের মধ্যেই র‌্যাশফোর্ডের জোরালো শট দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন পানামার গোলরক্ষক ওরলান্ডো মসকুয়েরা। এলিয়ট এন্ডারসনের ক্রস থেকে তাঁর হেড বার ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। 

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে নেওয়া একটি ফ্রি-কিকও অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

প্রথমার্ধে পানামাও একবার বিপজ্জনক আক্রমণ থেকে জর্ডান পিকফোর্ড ইংল্যান্ডকে রক্ষা করেন। বিরতির আগে ইংল্যান্ডের খেলা ছিল মন্থর। তবে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হওয়ার পর ম্যাচে তাদের আক্রমণের ধার বাড়তে থাকে। 

হোসে কোরডোবা ক্লিয়ার করতে গিয়ে বল সতীর্থ আন্দ্রেস আনড্রেড-গির গায়ে লেগে অল্পের জন্য জালে প্রবেশ করেনি। এরপর আবারও মসকুয়েরা দুর্দান্ত সেভ করে কেনকে গোলবঞ্চিত করেন।

তবে ইংল্যান্ডের গোলটি যেন সময়ের অপেক্ষা ছিল। ম্যাচের ৬২তম মিনিটে সাকার কর্নার থেকে বেলিংহাম বল জালে পাঠান। এটি ছিল চলতি আসরে বেলিংহামের দ্বিতীয় গোল। পরে তিনিই কেনের গোলের যোগানদাতা ছিলেন। যে গোলে ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত হয়।