বাসস
  ৩১ মে ২০২৬, ১৬:১৩

নিউক্যাসল থেকে ৭০ মিলিয়ন ইউরোতে গর্ডনকে দলে ভিড়িয়েছে বার্সেলোনা

ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা, ৩১ মে ২০২৬ (বাসস) : পাঁচ বছরের চুক্তিতে নিউক্যাসল থেকে ইংলিশ ফরোয়ার্ড এন্থনি গর্ডনকে দলের নেবার ঘোষনা দিয়েছে বার্সেলোনা। 

সূত্রটি ইএসপিএনকে জানিয়েছে প্রাথমিক ভাবে চুক্তির পরিমান ৭০ মিলিয়ন ইউরো। তবে সব মিলিয়ে এটা ৮০ মিলিয়ন পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

২৫ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডকে দলে নিতে বায়ার্ন মিউনিখ ও লিভারপুলও আগ্রহ দেখিয়েছিল। যে কারনে এ সপ্তাহে অনেকটা তাড়াহুড়ো করে গর্ডনকে স্পেনে নিয়ে এসেছে কাতালান জায়ান্টরা।

গত বুধবার বার্সেলোনা ও নিউক্যাসলের মধ্যে এ সংক্রান্ত চুক্তি চূড়ান্ত হয়। বৃহস্পতিবার মেডিকেল পরীক্ষার জন্য বার্সেলোনায় উড়ে আসে গর্ডন। 

এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে গর্ডন এ সম্পর্কে বলেছেন, ‘বার্সেলোনা বিশে^র সবচেয়ে বড় ক্লাব। ছোটবেলা থেকেই এই ক্লাবের সাথে সম্পৃক্ত হবার স্বপ্ন দেখেছি। এখানে আসতে পেরে সেই স্বপ্নই যেন সত্যি হয়েছে।

আমি জানি এখানে আসার দায়িত্ব অনেক। কিন্তু আমি বলতে চাই এই ধরনের চ্যালেঞ্জ নিতে আমি পুরোপুরি প্রস্তুত। আমি জানি এই জার্সিটি কতটা মর্যাদাপূর্ণ। অতীতে যেসব খেলোয়াড় এই জার্সি পরেছেন, তাদের ঐতিহ্য ও সাফল্যের ভারও এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে। কিন্তু আমি প্রস্তুত। এই চ্যালেঞ্জটি নিতে আমি রোমাঞ্চিত।”

এই বক্তব্যে গর্ডন বোঝাতে চেয়েছেন যে তিনি দলের ঐতিহ্য ও প্রত্যাশার গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন, তবে সেই চাপকে ভয় না পেয়ে বরং নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আত্মবিশ্বাসী ও উৎসাহী।

বার্সেলোনার খেলোয়াড় হিসেবে নিজের প্রথম আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে গর্ডন সবাইকে আকৃষ্ট করেছেন। কাগজপত্রসংক্রান্ত জটিলতার কারণে অনুষ্ঠানটি আট ঘণ্টারও বেশি বিলম্বিত হলেও তিনি কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর স্প্যানিশ ভাষায় দিয়ে উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করেন।

গর্ডন জানান, তিনি বেশ কিছুদিন ধরেই স্প্যানিশ ভাষা শিখছেন, কারণ ছোটবেলা থেকেই তার স্বপ্ন ছিল বার্সেলোনায় খেলার।

তিনি বলেন, “আমি স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলতে চেয়েছি, কারণ ছোটবেলায় আমি বিশ্বাস করতাম যে একদিন বার্সেলোনার হয়ে খেলব—। বশ্বাস করুন আর না-ই করুন। নিউক্যাসলে আমার একজন স্প্যানিশ ফিজিওথেরাপিস্ট আছেন। আমরা প্রতিদিন কথা বলতাম এবং আমি তাকে বলতাম, একদিন আমি বার্সেলোনায় খেলব, তাই আমি স্প্যানিশ শিখতে চাই। এভাবেই আমি কিছুটা স্প্যানিশ বলতে শিখেছি”

গর্ডনের এই মন্তব্য থেকে বোঝা যায় যে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার স্বপ্ন তিনি দীর্ঘদিন ধরে লালন করে আসছিলেন এবং সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই আগেভাগে স্প্যানিশ ভাষা শেখা শুরু করেছিলেন।