বাসস
  ২৮ মে ২০২৬, ১৯:৪৬
আপডেট : ২৮ মে ২০২৬, ১৯:৫৮

বিশ্বকাপের আগে গোলখরা নিয়ে চিন্তিত নন সন হেয়াং-মিন

ঢাকা, ২৮ মে ২০২৬ (বাসস) :  তারকা স্ট্রাইকার সন হেয়া-মিন বলেছেন, বিশ্বকাপের আগে তিনি “দারুণ অনুভব করছেন” এবং সমালোচকদের জবাব দিতে প্রস্তুত। দক্ষিণ কোরিয়ার অধিনায়কের সামর্থ্য কমে যাচ্ছে- এমন আলোচনা থাকলেও তিনি নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে আত্মবিশ্বাসী।

৩৩ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড গত বছরের আগস্টে টটেনহ্যাম ছেড়ে এমএলএসের লস এ্যাঞ্জেলস এফসিতেসযোগ দেওয়ার পর থেকে মাত্র দুটি গোল করেছেন।

দক্ষিণ কোরিয়া দলের হয়েও তিনি কঠিন সময় পার করছেন। হতাশাজনক ফলাফলের ধারাবাহিকতা নিয়ে বিশ্বকাপে যাচ্ছে দলটি, যেখানে গ্রুপ ‘এ’-তে তাদের প্রতিপক্ষ চেক প্রজাতন্ত্র, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং সহ-আয়োজক মেক্সিকো।

সাম্প্রতিক প্রীতি ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়া ৪-০ গোলে আইভরি কোস্ট এবং ১-০ ব্যবধানে অস্ট্রিয়ার কাছে হেরেছে।

মঙ্গলবার সল্ট লেক সিটিতে দলের অনুশীলন ক্যাম্পে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় দলের মনোবল বাড়ানোর চেষ্টা করেন সন।

তিনি বলেন, “অনেক মানুষ উদ্বিগ্ন, কিন্তু আমি তখনই চিন্তিত হই যখন আমি ভালো খেলতে পারি না। এখন সেটা হচ্ছে বলে আমি মনে করি না। শারীরিকভাবে আমি নিজেকে দারুণ অনুভব করছি।”

১১ জুন গুয়াদালাজারায় চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে। 

মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা যৌথভাবে এবারের টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে।

২০২২ কাতার বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়া শেষ ষোলোতে উঠেছিল, তবে পরে ব্রাজিলের কাছে ৪-১ গোলে হেরে বিদায় নেয়।

চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া সন বলেন, খেলোয়াড়দের এমন বোঝাপড়া গড়ে তুলতে হবে যেন “চোখ বন্ধ করেও সতীর্থ কোথায় আছে তা বোঝা যায়।”

তিনি বলেন, “অবশ্যই আমরা এবার আরও ভালো করতে চাই এবং গত বিশ্বকাপের চেয়ে উঁচুতে যেতে চাই। কিন্তু ভবিষ্যৎ আগে থেকে বলা যায় না। অন্য দলগুলোও সমান কঠোর প্রস্তুতি নেবে।”

দেশের হয়ে ১৪৩ ম্যাচে ৫৪ গোল করা সন গত ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে দক্ষিণ কোরিয়ার অনুপ্রেরণার প্রতীক।

বিশ্বকাপে তার গোলসংখ্যা তিনটি, যা তাকে পার্ক জি-সুং ও আন জুং-হুয়ানের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার সর্বোচ্চ বিশ্বকাপ গোলদাতার যৌথ রেকর্ডে রেখেছে।

সন বলেন, “অবশ্যই এসব রেকর্ডের কথা না শুনে থাকা অসম্ভব। মানুষ এসব নিয়ে কথা বলছে এবং সমর্থকেরাও অনেক আগ্রহ দেখাচ্ছে। তবে আমি এগুলো নিয়ে খুব বেশি ভাবছি না। আমি যদি দলের স্বার্থকে সবার ওপরে রাখি এবং কীভাবে দলকে সাহায্য করতে পারি সেটাই আগে ভাবি, তাহলে গোল স্বাভাবিকভাবেই আসবে।”