BSS-BNhrch_cat_news-24-5
বাসস
  ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:১৩

লা লিগা: শেষ মুহূর্তের গোলে পরাজয় এড়ালো বার্সেলোনা

বার্সেলোনা, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ (বাসস) : শেষ মিনিটের গোলে সোমবার গ্রানাডার সাথে কোনমতে পরাজয় এড়িয়েছে বার্সেলোনা। ক্যাম্প ন্যু‘তে অনুষ্ঠিত লা লিগার ম্যাচটিতে রোনাল্ডা আরাউহোর ৯০ মিনিটে গোলে ১-১ ব্যবধানের  ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে কাতালান জায়ান্টরা। 
মূল একাদশে কাল কোচ রোনাল্ডা কোম্যান বিবেচনা করেননি জেরার্ড পিকে ও লুক ডি জংয়ের মত অভিজ্ঞদের। ম্যাচ শুরুর দুই মিনিটের মধ্যে ডোমিনগোস ডুয়ার্তের গোলে এগিয়ে যায় গ্রানাডা। ম্যাচে ফিরে আসার তাগিদে সর্বমোট ৫৪টি ক্রস করেও সফল হতে পারেনি বার্সেলোনা। শেষ পর্যন্ত সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার আরাউহোর হাত ধরে কাঙ্খিত গোলের দেখা পায় কোম্যান শিষ্যরা। যদিও ম্যাচ শেষে বার্সা সমর্থকরা ভালভাবেই ইঙ্গিত দিয়েছে- এগিয়ে যাবার জন্য এই এক পয়েন্ট মোটেই যথেষ্ঠ নয়।
ম্যাচ শেষে কোম্যান বলেছেন, ‘আমরা আমাদের স্টাইলে কিছুটা পরিবর্তন এনেছিলাম। এর ফলে আক্রমনভাগে জায়গা কিছুটা বেড়েছে, যদিও এতে মধ্যমাঠ সংকীর্ণ হয়ে পড়েছিল। পিকে, ডি জং ও আরাউহোকে দিয়ে আমরা ধারাবাহিকভাবে আক্রমন চালানোর চেষ্টা করেছি।’
ইতোমধ্যেই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্রথম ম্যাচে ঘরের মাঠে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে ৩-০ গোলে পরাজয়ে কোম্যানের ভবিষ্যত শঙ্কায় পড়েছে। ঐ ম্যাচটিতে বার্সেলোনা একটি শটও ভালভাবে নিতে পারেনি।  গ্রানাডার বিপক্ষে গতকালের ব্যর্থতার পর বার্সেলোনার ফলাফলের তুলনায় নতুন স্টাইল নিয়ে বেশী ক্ষিপ্ত হয়েছে সমর্থকরা।
কোম্যান বলেন, ‘আমার হাতে যে খেলোয়াড়রা রয়েছে তাদের দিয়ে টিকি-টাকি সম্ভব নয়। আমাদের যা করা উচিত ছিল সেটাই আমরা করেছি। আমরা অন্যভাবে ম্যাচে জয়ী হতে চেষ্টা করেছি। আমাদের দলে সেই মানের দ্রুতগতির কোন খেলোয়াড় নেই। এর থেকে আমি আর বেশী কিছু বলতে পারবোনা। এ কারনে মনে হচ্ছে আমি যুক্তি দেখানোর চেষ্টা করছি।’
এর আগে রোববার কোম্যান জানিয়েছিলেন বার্সেলোনার কোচ হিসেবে নিজের ভবিষ্যত নিয়ে তিনি চিন্তিত নন। কিন্তু ফলাফলের উন্নতি না হলে ইতোমধ্যেই ক্লাব সভাপতি হুয়ান লাপোর্তার সাথে সম্পর্কের চাপে থাকা কোম্যান আরো চাপে পড়বেন। 
গ্রানাডাকে এগিয়ে দিতে ডোমিনগোস মাত্র ৮৫ সেকেন্ড সময় নিয়েছেন। সার্জিও এসকুয়েড্রো দুইবার সার্জিও বাসকুয়েটসকে কাটিয়ে ডুরার্তের দিকে বল বাড়িয়ে দেন। দারুন ফিনিশিংয়ে সফরকারীদের এগিয়ে দিতে কোন ভুল করেননি পর্তুগীজ এই ডিফেন্ডার। এক গোলে পিছিয়ে থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রন নিতে চেষ্টা করে বার্সেলোনা। কিন্তু সত্যিকার অর্থে সেভাবে গ্রানাডার উপর কোন চাপ সৃষ্টি করতে পারেনি। উল্টো ডারউইন মাচিসের ক্রসে অল্পের জন্য জর্জ মলিনার ভলি ক্রসবারের উপর দিয়ে বাইরে চলে গেলে ব্যবধান দ্বিগুন করতে পারেনি গ্রানাডা। বিরতির ঠিক আগে সার্চি রবার্তোর শট ক্রসবারে লেগে ফেরত আসে।
বিরতির পর সার্জি রবার্তোর স্থানে মাঠে নামেন লুক ডি জং। দ্বিতীয়ার্ধে গ্রানাডা খুব একটা স্বাচ্ছন্দ্যে খেলতে পারেনি। সেই সুযোগে বার্সা ক্রমেই নিজেদের গুছিয়ে নেয়। একের পর এক ক্রস করে তারা গ্রানাডার রক্ষনভাগকে ভাঙ্গতে চেষ্টা করে। ম্যাচ শেষের ১১ মিনিট আগে মাত্র পাঁচ গজ দুর থেকে ডি জংয়ের হেড বাইরে চলে যায়। অবশেষে ৯০ মিনিটে আরাউহোর গোলে সমতা নিয়ে বাড়ি ফিরে বার্সেলোনা। 
চার ম্যাচে দুই জয় ও দুই ড্রসহ ৮ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগা টেবিলের সপ্তম স্থানে আছে বার্সেলোনা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়
বেটা ভার্সন