বাসস
  ১৮ জুলাই ২০২৬, ১৮:০০

অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই : ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম. ইকবাল হোসেইন শনিবার ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষমেলা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। ছবি: বাসস

ময়মনসিংহ, ১৮ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম. ইকবাল হোসেইন এমপি বলেছেন, বৃক্ষরোপণে কারও কোনো ক্ষতি নেই বরং জনগণ, সরকার এবং দেশ, সবারই লাভ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, অক্সিজেনের যোগান বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই।

জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের আয়োজনে আজ শনিবার দুপুরে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণে ময়মনসিংহ বিভাগীয় বৃক্ষমেলা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, সরকার আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে নার্সারি মালিকদের এখন থেকেই উন্নতমানের চারা উৎপাদনে উদ্যোগী হতে হবে, যাতে প্রয়োজনীয় চারা সরবরাহ করা সম্ভব হয়। এতে একদিকে যেমন তাদের ব্যবসার প্রসার ঘটবে, অন্যদিকে দেশেরও উপকার হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অধিক মূল্যবান বৃক্ষের চারা উৎপাদন ও রোপণে গুরুত্ব দিতে হবে। মানুষ গাছ লাগিয়ে ভবিষ্যতে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে পারে। তাই পরিকল্পিতভাবে মূল্যবান ও মানসম্মত গাছের চারা উৎপাদন এবং রোপণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমানে অনেক শহরে পরিবেশ দূষণ ও অক্সিজেনের সংকটের কথা শোনা যায়। বেশি বেশি গাছ লাগালে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে এবং মানুষ পর্যাপ্ত অক্সিজেন পাবে। শেষে তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশব্যাপী প্রতিবছর পাঁচ কোটি গাছ রোপণের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধানের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, ময়মনসিংহ সদর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, সিটি কর্পোরেশনে প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান রোকন ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বন বিভাগের কর্মকর্তা, পরিবেশবাদী সংগঠনের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

এর আগে জেলা প্রশাসন ও ময়মনসিংহ বন বিভাগের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সার্কিট হাউজ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। 

র‌্যালি শেষে প্রধান অতিথি মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন এবং বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।