শিরোনাম

ঢাকা, ১৬ জুলাই, ২০২৬ (বাসস): আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) বাংলাদেশে নিযুক্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনন ঢাকার রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকার (ঢাকা ইপিজেড) শ্রমিককল্যাণ কার্যক্রম, শ্রম ব্যবস্থাপনা ও কর্মপরিবেশের প্রশংসা করেছেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, আইএলও ও বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে।
বৃহস্পতিবার ঢাকা ইপিজেড পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
পরিদর্শনকালে আইএলওর সোশ্যাল প্রোটেকশন প্রকল্পের প্রোগ্রাম ম্যানেজার সাদ গিলানি এবং আইএলও বাংলাদেশের কান্ট্রি অফিসের সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার তানজিলুত তাসনুব উপস্থিত ছিলেন। প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন।
এ সময় ঢাকা ইপিজেডের নির্বাহী পরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম আইন-২০১৯, বাংলাদেশ ইপিজেড শ্রম বিধিমালা-২০২২, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা, কমপ্লায়েন্স কার্যক্রম, শ্রমিকের অধিকার, করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং বিভিন্ন শ্রমিক কল্যাণমূলক কর্মসূচি বিষয়ে উপস্থাপনা দেন।
পরে বেপজার নির্বাহী পরিচালক (এন্টারপ্রাইজ সার্ভিসেস) মো. খুরশিদ আলম বেপজার শ্রমবান্ধব নীতিমালা, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এবং কমপ্লায়েন্স বাস্তবায়ন পদ্ধতি সম্পর্কে প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন।
সফরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল শ্রমিক কল্যাণ সমিতির প্রতিনিধিদের সঙ্গে উন্মুক্ত মতবিনিময়। আলোচনায় শ্রমিক প্রতিনিধিরা কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ, শ্রমিকের অধিকার, অভিযোগ নিষ্পত্তি, সামাজিক সংলাপ এবং মালিক-শ্রমিক সুসম্পর্ক বজায় রাখতে শ্রমিক কল্যাণ সমিতির ভূমিকা তুলে ধরেন। একই সঙ্গে তারা দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির বর্তমান প্রক্রিয়া সম্পর্কেও আইএলও প্রতিনিধিদলকে জানান।
প্রতিনিধিদল পরে ঢাকা ইপিজেডের ওয়াইকেকে বাংলাদেশ প্রাইভেট লিমিটেড এবং শান্তা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড পরিদর্শন করে। সেখানে তারা উৎপাদন কার্যক্রম, ডে-কেয়ার সেন্টার এবং শ্রমিকদের জন্য থাকা বিভিন্ন কল্যাণমূলক সুবিধা ঘুরে দেখেন। এ সময় কোম্পানির ব্যবস্থাপনা, শ্রমিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলে কর্মপরিবেশ ও শ্রম অধিকার বাস্তবায়নের বিষয়েও খোঁজ নেন।
সফর স্মরণীয় করে রাখতে আইএলওর কান্ট্রি ডিরেক্টর শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে ঢাকা ইপিজেডের জোন কার্যালয় প্রাঙ্গণে একটি জলপাই গাছের চারা রোপণ করেন।