বাসস
  ১৬ জুলাই ২০২৬, ১৯:৪০
আপডেট : ১৬ জুলাই ২০২৬, ২০:১১

বাংলাদেশ-ইউরোপ অংশীদারিত্ব আরও জোরদারে অভিন্ন অঙ্গীকার

আজ বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত পাঁচ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূত ও জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকদের বৈঠক হয়। ছবি : মন্ত্রণালয়

ঢাকা, ১৬ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) : বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় অংশীদার দেশগুলো দীর্ঘদিনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কৌশলগত খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

আজ বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত পাঁচ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূত ও জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকদের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় অংশীদারদের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যঁ-মার্ক সেরে-শারলে, স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল সিস্তিয়াগা, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, ইউরোপীয় ইউনিয়নের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স বাইবা জারিনা এবং জার্মানির চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স আনিয়া কারস্টেন।

এ সময় বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে উভয় পক্ষ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা, বেসামরিক বিমান চলাচল এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাতে সহযোগিতা আরও গভীর ও বহুমুখী করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আলোচনায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সহযোগিতা এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় অংশীদারদের পারস্পরিক সম্পৃক্ততা আরও সম্প্রসারণের অভিন্ন আগ্রহের প্রতিফলন ঘটে।

হুমায়ুন কবির আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক আস্থা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় দেশগুলোর বিদ্যমান সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে।

অন্যদিকে ইউরোপীয় কূটনীতিকরা বাংলাদেশের সঙ্গে নিজ নিজ দেশের বহুমাত্রিক অংশীদারিত্ব আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তারা দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক সহযোগিতা আরও জোরদারে অব্যাহত সমর্থনের আশ্বাস দেন।

বাংলাদেশের ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও সুসংহত করা এবং রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধানের ধারাবাহিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।