বাসস
  ০২ জুলাই ২০২৬, ১৯:২৫

আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ ও আইসিআইএমওডির যৌথ অঙ্গীকার

ছবি : সংগৃহীত

ব্যাংকক (থাইল্যান্ড), ২ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) : জলবায়ু সহনশীলতা অর্জন, আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক পরিবেশগত সুশাসন জোরদার করার যৌথ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ও ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট (আইসিআইএমওডি)।

আজ বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং আইসিআইএমওডি-এর মহাপরিচালক পেমা গ্যামশো-এর সাথে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আয়োজিত এই বৈঠকে আইসিআইএমওডি -এর মহাপরিচালক বাংলাদেশের ক্রমাগত সম্পৃক্ততার প্রশংসা করেন এবং হিমবাহ-গঠিত নদী ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত আন্তঃসীমান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি যৌথ পানি সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার জন্য একটি সমন্বিত আন্তঃসীমান্ত কর্মপরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন এবং আইসিআইএমওডি-এর মধ্যমেয়াদি মূল্যায়ন ও কৌশলগত পরিকল্পনা প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের সমর্থন কামনা করেন।

বৈঠকে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়কে বাংলাদেশে আইসিআইএমওডি -এর ‘ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট’ হিসেবে মনোনীত করার প্রস্তাব করা হয়। মন্ত্রী এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বিষয়টি তিনি সংশ্লিষ্ট যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট উত্থাপন করবেন।

মন্ত্রী আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য আইসিআইএমওডি -এর বোর্ড সভায় অংশগ্রহণ এবং সংস্থার মধ্যমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহযোগিতাসহ তাদের সকল উদ্যোগে বাংলাদেশের ধারাবাহিক সমর্থন অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।

উভয় পক্ষই পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করে উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর উৎপত্তি প্রতিবেশী দেশগুলোতে হওয়ায় আন্তঃসীমান্ত জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু অভিযোজন এবং পর্বত-থেকে-বদ্বীপ (mountain-to-delta) বাস্তুতন্ত্রের টেকসই ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশ ও আইসিআইএমওডি-এর মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ এবং ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও গভীর করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে বৈঠক শেষ হয়।