শিরোনাম

নীলফামারী, ২৩ জুন ২০২৬ (বাসস) : জেলায় উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। আজ মঙ্গলবার বেলা ৩টায় ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এ অবস্থায় তিস্তার পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে আজ বিকেলে তিস্তা ব্যারাজের সবকটি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।
জেলার ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্র জানায়, উজানের ঢলে আজ বিকেল ৩টায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করে। এর আগে সকাল ৬টায় বিপৎসীমার ৫ সেন্টমিটার, সকাল ৯টায় ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। বেলা ১২টায় পানি বেড়ে বিপৎসীমা বরাবর প্রবাহিত হয়ে বিকেল ৩টায় বিপৎসীমা অতিক্রম করে ( ১ সেন্টিমিটার ওপরে)। সেখানে নদীর পানির বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার।
তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে বন্যার আশঙ্কায় রয়েছে তিস্তা বেষ্টিত এলাকার মানুষ। তবে নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করলেও এই মুহূর্তের বন্যার কোনো আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন,‘ভারী বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এজন্য ব্যারাজের সব কটি (৪৪টি) জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করলেও এই মুহূর্তে বন্যার আশঙ্কা নেই’।
জেলার ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রবিউল ইসলাম বলেন, ‘পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে। তবে এখনো চরাঞ্চলের বাড়ি ঘরে পানি ওঠেনি। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে যে কোনো সময়ে বন্যার সৃষ্টি হতে পারে’।
একই উপজেলার পূর্বছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান জানান, উজানের ভারী বর্ষণের ফলে আজ সকাল থেকে তিস্তা নদীর পান বৃদ্ধি পেতে থাকে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে। তবে নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করলেও এখন পর্যন্ত বাড়ি ঘরে পানি ওঠেনি।