বাসস
  ১৯ জুন ২০২৬, ১৯:২২
আপডেট : ১৯ জুন ২০২৬, ১৯:২৫

ডিইউডিএস ও ইউএনডিপির উদ্যোগে বিতর্ক প্রতিযোগিতা শুরু

ছবি : বাসস

ঢাকা, ১৯ জুন, ২০২৬ (বাসস) : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি (ডিইউডিএস), সোশ্যাল সিকিউরিটি পলিসি সাপোর্ট (এসএসপিএস) প্রোগ্রাম, ইউএনডিপি বাংলাদেশের সহযোগিতা এবং অস্ট্রেলিয়া সরকারের (ডিএফএটি) সহায়তায় আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে ‘ঢাকা আইভি: সামাজিক সুরক্ষায় তরুণদের কণ্ঠস্বর’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়েছে।

দিনব্যাপী পাঁচটি বিতর্ক রাউন্ড অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় পঞ্চাশটি দল ব্রিটিশ পার্লামেন্টারি ও এশিয়ান পার্লামেন্টারি ফরম্যাটে অংশগ্রহণ করে। মোট প্রায় ৪০০ বিতার্কিক, স্বেচ্ছাসেবক ও বিচারক এ আয়োজনে একত্রিত হন। বিচারক প্যানেলে জাতীয় বিতর্ক অঙ্গনের অভিজ্ঞ বিতার্কিকরা দায়িত্ব পালন করেন। উভয় ফরম্যাটের গ্র্যান্ড ফাইনাল ২০ জুন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. ইসরাফিল রতন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউএনডিপি বাংলাদেশের সিনিয়র গভর্ন্যান্স স্পেশালিস্ট তানভীর মাহমুদ। এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএনডিপির কনসালট্যান্ট আব্দুল বারিক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির মডারেটর অধ্যাপক আমিরুস সালাত। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডিইউডিএসের সভাপতি জুবায়ের হোসাইন এবং সাধারণ সম্পাদক রাগিব আনজুম।

ছবি : বাসস

ঢাবির প্রক্টর মো. ইসরাফিল রতন তরুণদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার জন্য এমন প্ল্যাটফর্মের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেন। 

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তানভীর মাহমুদ বলেন, প্রতিদিন বাংলাদেশ সরকারকে কঠিন নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সীমিত সম্পদ কীভাবে বণ্টন করা হবে? কীভাবে সেবা সবচেয়ে প্রয়োজনীয় মানুষের কাছে পৌঁছানো যাবে? অন্তর্ভুক্তির সঙ্গে দক্ষতার ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা করা যাবে? বার্ধক্যজনিত জনসংখ্যা, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং পরিবর্তনশীল শ্রমবাজারের জন্য আমরা কীভাবে প্রস্তুতি নেব? এসব প্রশ্নের সহজ কোনো উত্তর নেই। 

তিনি বলেন, জননীতির মান অনেকাংশেই নির্ভর করে জনআলোচনার মানের ওপর। সেই আলোচনাকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই ইউএনডিপি এই উদ্যোগকে সমর্থন করছে।

আয়োজক কমিটির পক্ষে ইউএনডিপির সোশ্যাল সিকিউরিটি পলিসি সাপোর্ট প্রোগ্রামের রিসার্চ অফিসার আরজু আফরিন ক্যাথি বলেন, এই টুর্নামেন্টটি এমন এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তরুণদের সামাজিক সুরক্ষা-সংক্রান্ত অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরার জন্য পরিকল্পিত হয়েছে, যখন জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল (এনএসএসএস) ২০১৫-২০২৬ মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পথে এবং এর উত্তরসূরি কৌশল প্রণয়নের প্রস্তুতি চলছে। বাংলাদেশের মানব উন্নয়নের পরবর্তী ধাপে তরুণদের ভূমিকা হবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।