বাসস
  ২১ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৪

রাজশাহীতে উৎসবমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত

ছবি : বাসস

রাজশাহী, ২১ মার্চ ২০২৬ (বাসস) : যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে রাজশাহী বিভাগীয় শহর ও এর আশেপাশের উপজেলাগুলোতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। এই উৎসবকে ঘিরে আজ সকাল থেকেই পদ্মা পাড়ের এই শহর উৎসবের আমেজে মুখরিত হয়ে ওঠে।

এ উপলক্ষে আজ নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক ও মোড়গুলোতে শোভা পাচ্ছে 'ঈদ মোবারক' খচিত রঙিন ব্যানার ও ফেস্টুন। যদিও বৃষ্টির কারণে এই উৎসব কিছুটা বিঘ্নিত হয়েছে।

সকাল থেকে বৃষ্টির কারণে রাজশাহীতে ঈদের প্রধান ঈদের জামাত আজ সকাল আটটায় রাজশাহীর হযরত শাহমখদুম মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নামাজ শেষে খুতবায় ইসলামি ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বিশেষ মোনাজাতে দেশ ও জাতির সুখ, শান্তি এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা হয়।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম বজলুর রশিদ এবং রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন সকালে ঈদের প্রথম জামাতে অংশ নেন। এছাড়াও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী এবং সর্বস্তরের মুসল্লি এই জামাতে  নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলির মাধ্যমে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, ঈদ আমাদের পারস্পরিক ভেদাভেদ ভুলে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার শিক্ষা দেয়। রাজশাহীর এই উৎসবমুখর পরিবেশ প্রমাণ করে যে, আমরা সবাই মিলেমিশে একটি সুন্দর সমাজ গড়তে বদ্ধপরিকর।

সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন জানান, নগরবাসীর ঈদ উদ্যাপন নির্বিঘ্ন করতে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

রাজশাহী মহানগরীর অন্যান্য ঈদগাহ ও মসজিদগুলোতেও পৃথকভাবে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল সাতটা থেকে নয়টার মধ্যে অধিকাংশ স্থানে জামাত সম্পন্ন হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটি ঈদগাহ ময়দান ও সংলগ্ন এলাকায় পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। মহানগর ছাড়াও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে।

নামাজের পর থেকেই নগরবাসী মেতে উঠেছেন আনন্দ-উৎসবে। বিকেলের দিকে পদ্মা পাড়, চিড়িয়াখানা ও বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কসহ বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।