বাসস
  ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮:৪৪

রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভার-করণীয় শীর্ষক কর্মশালা

ছবি: আইএসপিআর

ঢাকা, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : দেশের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে রাসায়নিক দ্রব্যের আমদানির অন্যতম প্রবেশদ্বার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের কাস্টমস, কার্গো ও কুরিয়ার সেকশনের কর্মরত জনবলের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশনের ওপর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব এবং বাংলাদেশে বিমান বন্দরসমূহের করণীয়’ শীর্ষক এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করা হয়েছে। 

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক সক্ষমতাগুলো কিভাবে প্রথাগত রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন এবং বিমান বন্দরসমূহের নিরাপত্তা বলয় ভেদ করে রাসায়নিক দুর্ঘটনা সৃষ্টির কারণ হতে পারে তা বোঝা এবং এ বিষয়ে প্রতিরোধক ব্যবস্থাসমূহ জানাই ছিল আজ আয়োজিত এই প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য। 

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের কাস্টমস, কার্গো ও কুরিয়ার সেকশনে কর্মরত মোট ৩০ জন প্রশিক্ষণার্থী আজকের এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করে। প্রশিক্ষণ শেষে বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (বিএনএসিডব্লিউসি)- এর সদস্য সচিব, কমডোর মো. মনির উদ্দীন মল্লিক প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন। 

সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্বিমুখী ব্যবহারের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিএনএসিডব্লিউসি এবং বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। 

প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আত্মাসচেতনতা বৃদ্ধি ও বুদ্ধিদীপ্ত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ব্যবহার করে দুষ্কৃতিকারীরা যাতে কোনভাবেই দেশের অভ্যন্তরে রাসায়নিক দুর্ঘটনা ঘটাতে না পারে সে বিষয়ে কাজ করে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।