শিরোনাম

ঢাকা, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : অবাধ ও সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরো সক্রিয়, দ্রুত ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠন অধিকার।
আজ সকালে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে গ্রামীণ এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ আসনগুলোতে শক্তিশালী নিরাপত্তা উপস্থিতি বাড়ানোর আহ্বান জানায় সংগঠনটি।
অধিকার জানায়, জাতীয় নির্বাচনে সংখ্যালঘু ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। এ লক্ষ্যে নির্বাচন পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি সীমাবদ্ধ না রেখে তা আরো সম্প্রসারণ করতে হবে।
সংস্থাটি চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ সহিংসতাপ্রবণ এলাকাগুলোতে পর্যাপ্ত সংখ্যক নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েনের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও সংঘর্ষের ঘটনায় দ্রুত এবং নিরপেক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।
অধিকার আরো সুপারিশ করেছে, স্থানীয় পর্যায়ে অভিযোগ গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনের অধীনে অভিযোগ ডেস্ক স্থাপন করা প্রয়োজন, যাতে সাধারণ নাগরিক সহজে সহিংসতার ঘটনা জানাতে পারেন এবং দ্রুত প্রতিকার পান।
নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন-পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের ওপরও গুরুত্বারোপ করে সংস্থাটি।
এদিকে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি সহিংসতা পরিহারের বিষয়ে প্রকাশ্য অঙ্গীকার করার এবং সহিংসতায় জড়িত থাকলে সমর্থকদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে অধিকার জানায়, নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমকে নির্বাচনী সহিংসতার ঘটনা নথিভুক্ত করা এবং ভুক্তভোগীদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার মাধ্যমে কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
আন্তর্জাতিক অংশীদারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সংস্থাটি বলেছে, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে সুরক্ষা ব্যবস্থা ও জবাবদিহি জোরদারে তাদের ভূমিকা আরো সক্রিয় করা প্রয়োজন।
সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সংগঠনটির ডকুমেন্টেশন কনসালট্যান্ট কোরবান আলী, উপস্থিত ছিলেন অধিকার-এর পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন ও তাসকিন ফাহমিনা এবং সঞ্চালনা করেন অধিকার-এর মানবাধিকারকর্মী এ এস এম নাসির উদ্দিন এলান।