বাসস
  ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:০৪

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। ছবি : বাসস

ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস): বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

আজ (সোমবার) বাংলাদেশ সচিবালয়ে উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাতের শুরুতে হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী উপদেষ্টাকে ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে পারস্পরিক কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নানাদিক নিয়ে মতবিনিময় করেন।

ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত বন্ধুপ্রতিম প্রতিবেশী রাষ্ট্র। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। সীমান্তে হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনা দুই দেশের জনগণের মধ্যে বোঝাপড়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনা এবং গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতেরও আহ্বান জানান তিনি।

জনপ্রশাসন উপদেষ্টা নির্দিষ্ট কোনো দলের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে উভয় দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধির ওপর জোর দেন। বর্তমান ভারতীয় হাইকমিশনারের দক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকালে হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান অভিন্ন সংস্কৃতি ও ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন। তিনি ভারতে বাংলাদেশি ইলিশের ব্যাপক চাহিদার কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের ভারতে প্রশিক্ষণে পাঠানোর অনুরোধ করেন।

পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে বলে সাক্ষাতে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ভারতীয় হাইকমিশনার।

তিনি দু’দেশের জনপ্রশাসনের মধ্যে প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম পুনরায় চালুর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। জনগণের স্বার্থেই প্রতিবেশী দেশ দুটির সম্পর্ক সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন।

সাক্ষাতে ভারতীয় হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।