শিরোনাম

ঢাকা, ২৫ মার্চ, ২০২৬ (বাসস): মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি বলেছেন, সরকারের কাছে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। জ্বালানি সরবরাহ ঠিক রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।
আজ বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রী পরিষদ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী পরিষদ সচিব বলেন, এখন পর্যন্ত রিজার্ভ সাফিসিয়েন্ট রয়েছে। আমাদের আগে যেখানে ১৫ দিনের একটা রিজার্ভ থাকতো, সেখানে আমাদের বর্তমানে এক মাসের মতো রিজার্ভ রয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার যে পরিকল্পনা নিয়েছে তাতে খুব শীঘ্রই এই রিজার্ভটা আরো বড় করার চেষ্টা করা হচ্ছে। যাতে আমাদের জ্বালানি ধাক্কাটা সামলে নেয়া যায়।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দিনভর ব্যস্ত ছিলেন। আজ সকালে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে একটা বৈঠক হয়েছে, যেখানে অর্থমন্ত্রী ও জ্বালানি মন্ত্রী ছিলেন। জ্বালানির বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।
মন্ত্রী পরিষদ সচিব বলেন, মন্ত্রী পরিষদ বৈঠকের ধার্যকৃত তারিখ থাকে, বৃহস্পতিবার এই মিটিংয়ের তারিখ ছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার ২৬ শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস হওয়ায় এইদিন জাতীয় অনেকগুলো অনুষ্ঠান আছে, সেজন্য আজকে মিটিংটা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বৈঠক শুরু হয়েছে ২৫ শে মার্চের সেই কালোরাতের স্মৃতি স্মরণ করে। পাকিস্তানি বাহিনীর সেই নৃশংস হামলার পর স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়া হয় এবং আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়। প্রথমেই অনেক সদস্য সেই স্মৃতি স্মরণ করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের জন্য দোয়া করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পাঁচটি বিষয় বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে। এরমধ্যে প্রথমটা ছিল মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক সংশোধন আইন ২০২৬- এর খসড়া নীতিগত চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ২০২৬ সালে ভ্যাটের যে আইনটা করা হয়েছিল এবং যেটা এফেক্টিভ ছিল, সেটা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে চূড়ান্ত করা হয়েছে।
তিনি বলেন, দুইটা অর্থ আইন যেটা জুলাই পর্যন্ত এসে শেষ হবে সেই অর্থবছরের যে সমস্ত খরচ হয়েছে এবং সংশোধিত আকারে ফাইনালি যে খরচ হয়েছে সেটাই অর্থ আইনে রিফ্লেক্টেড হয় সেটারও খসড়া এবং নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, আরেকটা বিষয় ছিল অর্থসংক্রান্ত অধ্যাদেশ সংশোধন আইনের খসড়া নীতিগত চূড়ান্ত অনুমোদন।
এই অধ্যাদেশটি সংবিধানের ৮৬ ও ২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক আর্থিক প্রবৃদ্ধির অংশ এবং গত ২৬ জুন ২০২৫ তারিখ হতে এই অধ্যাদেশ অনুযায়ী রাজস্ব আদায় করা হচ্ছে।
মন্ত্রী পরিষদ সচিব বলেন, আমরা যে ট্যাক্সগুলো আদায় করি সেগুলো একটা আইনের অধীনে আদায় করা হয়। অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করার লক্ষ্যে অর্থ সংক্রান্ত সংশোধন ২০২৫-২৬ অর্থবছর আইন ২০২৬ এর খসড়া মন্ত্রিসভা বিশেষ বৈঠকে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পাঁচটি আইনের অর্থাৎ যে ১৩৩টা আইন আগের মন্ত্রিসভার সময় পাশ হয়েছিল তার মধ্যে এই পাঁচটি আইন মোটামুটি একটা ডিসিশন হলো যে এগুলো আইনে পরিণত হবে এবং তার জন্য অন্যান্য যে প্রসিডিউরগুলো আছে সেগুলো করা হবে এবং ইনশাআল্লাহ এগুলো সামনে পার্লামেন্টে উত্থাপন করা হবে।