শিরোনাম

দিনাজপুর, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেয়ায় তার নির্বাচনি এলাকার সর্বস্তরের জনগণ তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
গতকাল মঙ্গলবার বিকালে জাতীয় সংসদ ভবনে দেশের সর্ববৃহৎ সংসদীয় আসন দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর- নবাবগঞ্জ- ঘোড়াঘাট ও হাকিমপুর) এই ৪টি উপজেলা নিয়ে গঠিত আসনের সংসদ সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনকে বিএনপি সরকার পূর্ণ মন্ত্রী নিয়োগ করায় বিএনপি’র চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি এলাকাবাসী কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন।
জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি এসএম শামীম হোসেন চৌধুরী তার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার অর্ধশত বছর অতিবাহিত হয়েছে। কিন্তু দেশের সর্ববৃহৎ এই আসনটির জনগণ বিগত সময়ে কোনো মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী পায়নি।
তিনি বলেছেন,দীর্ঘ সময় পর হলেও এই এলাকার জনগণ তাদের নির্বাচিত এমপি ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনকে সরকারের পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় এলাকাবাসী তথা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীসহ দল মত নির্বিশেষে সকলে আনন্দ উৎসবে মেতে উঠেছেন। এই জন্য আমরা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান ও সদ্য প্রয়াত তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য পুত্র প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
আমরা আশা করি আগামী দিনে এই অবহেলিত অঞ্চলের মানুষ দৃশ্যমান উন্নয়ন দেখতে পাবেন। এখন আমরা আমাদের প্রিয় নেতা ও নবনির্বাচিত মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেনকে বরণ করতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি বলে তিনি ব্যক্ত করেন।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-৬ আসনে ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ২ লাখ ৩ হাজার ৮৮৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলা মতিহার গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি ১৯৮৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৮৯ সাল হতে ডক্টর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর সাথে জড়িত এবং ১৯৯৮ সাল হতে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে ৪ বার মহাসচিব ছিলেন।
এ ছাড়াও তিনি ২০০৫ সাল হতে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ-বিএসপিপি’র সদস্য সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। গত ২০২২ সাল হতে উক্ত পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ২০১০ সালে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৬ সালে তিনি বিএনপি’র কাউন্সিলের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। গত ২০২৪ সালে তাকে বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য করা হয়।
রাজনৈতিক কারণে বিগত ১৮ বছরে অর্ধশত মামলা দায়ের করা হয়েছিল তার নামে। তিনি ৩ বার রাজনৈতিক কারণে কারাবরণ করেন।
তার নির্বাচনি এলাকার জনগণ উন্নয়নে অগ্রযাত্রায় তার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেছেন।