শিরোনাম

ঢাকা, ২১ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) : প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের ধারাবাহিকতায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল ও স্বেচ্ছাসেবক দল গড়ে উঠেছে।
তিনি বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং মুক্তকণ্ঠে কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই বিএনপির জন্ম হয়েছে এবং দলের মধ্যে বিপ্লবের শক্তি অন্তর্নিহিত রয়েছে।
আজ রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি মরহুম জাকির হোসেন নান্নুর জন্য দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, হতাশা নয়, বরং কঠোর পরিশ্রমে বিশ্বাস রেখে দলের আদর্শ ধারণ করে নেতাকর্মীদের এগিয়ে যেতে হবে।
তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদের অবসান এবং শত প্রতিকূলতা অতিক্রম করে দলের শীর্ষ নেতার দেশে ফেরা ও প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ প্রমাণ করে যে, শ্রম ও আত্মদান কখনো বৃথা যায় না।
বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের প্রশংসা করে রিজভী বলেন, সরকার ফ্যামিলি কার্ডের পরিসর বাড়াচ্ছে এবং কৃষক কার্ড দিচ্ছে। এক-দুই বছর পর এসব উদ্যোগের সুফল মানুষের হাতে পৌঁছালে জাকির হোসেন নান্নুর মতো মানুষের আত্মদান সার্থক হবে।
৪৫ বছর পর শহীদ জিয়াউর রহমানকে হত্যাকারী মেজর মোজাফ্ফর হোসেনকে গ্রেফতারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে রিজভী বিচারহীনতা ও ষড়যন্ত্রের সমালোচনা করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এই ৪৫ বছর সে কোথায় ছিল? আন্তর্জাতিক বা দেশের ভেতরে কারা তাকে আশ্রয় দিয়েছে?
সাম্প্রতিক জুলাই-আগস্টের ছাত্র আন্দোলনে মুগ্ধ, ওয়াসিফ ও আবু সাঈদদের ওপর পুলিশের সঙ্গে মিলে গুলি চালিয়ে রক্তপাতের ঘটনায় জড়িত হাজার হাজার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর তাদের কারা আশ্রয় দিয়েছে, সে বিষয়েও জবাব চাওয়ার দাবি জানান রিজভী।
অনুষ্ঠানে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ এমপি, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নসহ দলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।