বাসস
  ০৩ আগস্ট ২০২৬, ১৫:৫০

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল ক্ষোভ ও গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ: ঢাবি উপাচার্য

‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪ : আকাঙ্ক্ষার ও বাস্তবতা’  শীর্ষক বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম । ছবি: বাসস

ঢাকা, ৩ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল মানুষের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ, দেশপ্রেম এবং গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষার সম্মিলিত বহিঃপ্রকাশ।

গতকাল রাতে জগন্নাথ হলের কিশোরী লাল রায় চৌধুরী অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪ : আকাঙ্ক্ষার ও বাস্তবতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।‎‎

উপাচার্য বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের দুঃশাসনের অবসান ঘটিয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দেশের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। জুলাইয়ের শহীদদের আত্মত্যাগ বৈষম্যহীন ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করেছে। ভবিষ্যতে যাতে আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তির উত্থান না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ  থাকতে হবে।

এসময়, ‎‎তিনি বৈষম্যহীন, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ ড. দেবাশীষ পাল। অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক আবাসিক শিক্ষক সঞ্জয় দে রিপন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- জগন্নাথ হলের আবাসিক শিক্ষক ড. প্রমথ মিস্ত্রী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মেঘমল্লার বসু, হল শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মধুসূদন কুন্ডু হৃষীকেশ, হল শাখা ছাত্রদলের সদস্য-সচিব প্রসেনজিৎ বিশ্বাস ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নিত্যানন্দ পাল এবং জগন্নাথ হল শাখা ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক বিষ্ণু পন্ডিত।

অনুষ্ঠানে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪ : আকাঙ্ক্ষার ও বাস্তবতা’  শীর্ষক বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও বিশেষ স্থান অর্জনকারীকে পুরস্কৃত করা হয়। 

পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন- নয়ন দাস, প্রিয়রঞ্জন দাস প্রান্ত ও পাপন ত্রিপুরা।