শিরোনাম

ফেনী, ২৫ জুন, ২০২৬ (বাসস) : আগামী ২৮ জুন রোববার ফেনীতে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৪শ’ ৮৫ শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন-‘এ’ ক্যাপসুল। ওইদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত জেলার ১ হাজার ১শ’ ৩৮টি টিকা কেন্দ্রে এ ক্যাম্পেইন চলবে।
বৃহস্পতিবার জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. এ এস এম সোহরাব আল হোসাইন জানান, ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল রংয়ের ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের লাল রংয়ের ভিটামিন-এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এরমধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা ৩০ হাজার ৪শ’ ৭৩ জন ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা ২ লাখ ২৩ হাজার ১২ জন। জেলার ১ হাজার ১শ’ ২৪টি অস্থায়ী, ৭টি স্থায়ী ও ৭ টি ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রে টিকাদান চলবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, ছাগলনাইয়া উপজেলার ১শ’ ৪৫টি কেন্দ্রে ৩৬ হাজার ১শ’ শিশু, দাগনভূঞা উপজেলার ১শ’ ৯৩টি কেন্দ্রে ৪৬ হাজার ৭শ’ শিশু, ফেনী সদর উপজেলার ২শ’ ৮৯ কেন্দ্রে ৫৬ হাজার ৬শ’ ২১ জন শিশু, ফেনী পৌরসভার ৪৫টি কেন্দ্রে ২৫ হাজার ৭শ’ ৫৮শিশু, ফুলগাজী উপজেলার ১শ’ ৪৫ কেন্দ্রে ২৩ হাজার ৩শ’ ৪১ জন শিশু, পরশুরাম উপজেলার ৯৭টি কেন্দ্রে ১৯ হাজার ৪শ’ ৮৪ জন শিশু ও সোনাগাজ উপজেলার ২শ’ ১৭টি কেন্দ্রে ৪৫ হাজার ৪শ’ ৭৬ জন শিশুকে খাওয়ানো হবে।
ডা: এ এস এম সোহরাব আল হোসাইন বাসস’কে বলেন, ‘ফেনীর সকল শিশুকে এটি খাওয়াতে পারলে ক্যাম্পেইন সফল হবে। ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবে চোখের ওপর অনেক ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে। রাতকানা, কনজাংটিভার শুষ্কতা, বিটট স্পট, কর্নিয়ার শুষ্কতা, কর্নিয়ার ক্ষতসহ মানুষ শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধী হতে পারে। ’
তিনি বলেন, ‘ভিটামিন ‘এ’ শুধুমাত্র রাতকানা রোগ প্রতিরোধ নয় বরং শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এ সময় সকল শিশুকে নিটকস্থ টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।’
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. ইমাম হোসেনের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল অফিসার ডা. ফাহাদ ও ডা. আমীর খসরু তারেক।