বাসস
  ২৩ জুন ২০২৬, ১০:৪৯

আন্তঃজেলা চোর চক্রের ১ সদস্য মোটরসাইকেলসহ গ্রেপ্তার

ডিবি পুলিশ আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের এক সদস্যকে চোরাই মোটরসাইকেলসহ গ্রেপ্তার করেছে। ছবি: বাসস

দিনাজপুর, ২৩ জুন, ২০২৬(বাসস) : জেলার ডিবি পুলিশের অভিযান চালিয়ে আন্তঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের এক সক্রিয় সদস্যকে চোরাই একটি মোটরসাইকেলসহ গ্রেপ্তার করেছে।

গতকাল সোমবার রাত ১২টায় দিনাজপুর ডিবি পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন এই তথ্য বাসস’কে নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, জেলা পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা’র দিকনির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. রফিকুল আলমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং ডিবি পুলিশ পরিদর্শক মুহাম্মদ আলমগীরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল গতকাল সোমবার রাতে আনঃজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করতে ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়।

অভিযানে জেলার সদর উপজেলার ৭নং উথরাইল ইউনিয়নের মালিগ্রাম বাজার এলাকায় এসএম মটরস শো-রুমের সামনে থেকে আন্তঃজেলা চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য মো. শাকিল বাবু (২৪) কে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার চোর চক্রের সদস্য জেলার সদর উপজেলার ৮নং শংকরপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ দুর্গাপুর এলাকার বাসিন্দা। তার সহযোগীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে গেছে।

পুলিশের অভিযানে তার হেফাজত থেকে একটি লাল রঙের রেজিস্ট্রেশন নাম্বারবিহীন হিরো এইচএফ ডিলাক্স মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার মোটরসাইকেলটি প্রাথমিক তদন্তে চোরাই বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে সোমবার রাত ১২টায় সদর কোতয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামি পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্যদের নাম এবং তাদের নেটওয়ার্ক বিষয় সম্পর্কে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে। তার দেয়া তথ্য গুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আন্তঃজেলা চোর চক্রের সাথে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ডিবি পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জেলা গোয়েন্দা শাখার এই সফল অভিযানে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। চুরি প্রতিরোধে পুলিশের এমন তৎপরতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সচেতন মহল।

পুলিশ জানায়, আজ আসামিকে দিনাজপুর সিনিয়র জুডিশায়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হবে। বিচারক তার রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে মোটরসাইকেল চোর চক্রের মুল হোতাদের গ্রেপ্তার এবং আইনের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে বলে পুলিশ আশা করছেন।