বাসস
  ০৮ জুন ২০২৬, ১৩:৩৩
আপডেট : ০৮ জুন ২০২৬, ১৩:৪৬

ধোবাউড়ায় ধসে পড়া বেইলি ব্রিজ দ্রুত মেরামতের আশ্বাস 

 জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স ধোবাউড়ার গোয়াতলা কংস নদীর ভেঙে পড়া বেইলি ব্রিজটি পরিদর্শন করেছেন ।ছবি: বাসস

ময়মনসিংহ, ৮ জুন ২০২৬ (বাসস): জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স জেলার ধোবাউড়া উপজেলার গোয়াতলা কংস নদীর বেইলি ব্রিজটি শিগ্গিরই মেরামত করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি আজ সকালে ভেঙে পড়া বেইলি ব্রিজটি পরিদর্শন করে এ আশ্বাস দেন। এসময় তিনি সংশ্লিষ্টদের জনদুর্ভোগ লাঘবে ব্রিজটি দ্রুত মেরামতের বিষয়ে আলোচনা করেন। 

গতকাল রোববার (৭ জুন) ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া উপজেলার আঞ্চলিক সড়কের গোয়াতলা কংস নদীর উপর নির্মিত বেইলি ব্রিজটি অতিরিক্ত বালুবোঝাই ট্রাকের ভারে ধসে পড়ে। এতে বালুবোঝাই ট্রাকটিও নদীতে পড়ে যায়। ব্রিজটি ধসে পড়ায় ওই সড়কের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ থাকলেও নতুন ব্রিজ নির্মাণের কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

প্রিন্স বলেন, ব্রিজ ভেঙে পড়ার সংবাদ পাওয়ার পরপরই স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, সচিব, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী, জেলা এবং উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জনদুর্ভোগ নিরসনে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আলোচনা করা হয়েছে। চেষ্টা করা হচ্ছে সাময়িকভাবে ব্রিজটি সংস্কার করে জনসাধারণের চলাচলের উপযোগী করতে। 

তিনি বলেন, প্রায় ১০ বছর আগে এই ব্রিজটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হলেও স্থায়ীভাবে নতুন সেতু নির্মাণের জন্য কার্যকর কোন উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে বছরের পর বছর জনগণ ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজে অনিশ্চয়তার মধ্যে চলাচল করেছে। আমরা বিগত নির্বাচনের আগে এই গুরুত্বপূর্ণ সেতুটি নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। কিন্তু স্থায়ী সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ার আগেই এই অনাকাক্সিক্ষত দুর্ঘটনা ঘটেছে।

জেলা পরিষদের প্রশাসক বলেন, ‘ধোবাউড়া-তারাকান্দা সড়ক এ অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষিপণ্য পরিবহন, শিক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনগণের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত অস্থায়ী সমাধানের পাশাপাশি স্থায়ী নতুন সেতু নির্মাণে প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। আমি আশা করি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও এলজিইডি বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা করবে।’

পরিদর্শনকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোশারফ হোসাইন, প্রকৌশলী ইন্দু ভূষণ বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আজহারুল ইসলাম কাজল, সদস্য সচিব আনিছুর রহমান মানিক, যুগ্ম আহ্বায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন খান লিটন, ইউপি চেয়ারম্যান জাকিরুল ইসলাম টুটন, আব্দুল কুদ্দুসসহ বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।