শিরোনাম

গাজীপুর, ২৯ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার সূত্রাপুর ইউনিয়নে স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের চলাচল ও যোগাযোগের দুর্ভোগ লাঘবে সড়ক নির্মাণ কাজের আজ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। গাজীপুর জেলা পরিষদের নিজস্ব অর্থায়নে গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে সড়কটির নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও গাজীপুর জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব ড. চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী। এ সময় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কালিয়াকৈর উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক মো. নুরুল ইসলাম সিকদার, সদস্য সচিব এম. আনোয়ার হোসেন, কালিয়াকৈর পৌর বিএনপি’র আহ্বায়ক মামুদ সরকারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এছাড়া বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, মহিলাদলসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় ড. চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, জনগণের দুর্ভোগ লাঘব এবং এলাকার মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করতে উন্নয়নমূলক কাজের কোনো বিকল্প নেই। জেলা পরিষদের নিজস্ব অর্থায়নে মানুষের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। সূত্রাপুরের এই সড়কটিও স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করেই নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। উন্নয়নকাজ শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ রাখলে হবে না। প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে কি-না, কাজের মান ঠিক আছে কি-না, এসব বিষয়ও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হবে। জনগণের অর্থে যে উন্নয়ন হবে, সেই উন্নয়নের সুফল জনগণকেই দিতে হবে।
তিনি আরো বলেন, গাজীপুরের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের সড়ক, যোগাযোগ ও অন্যান্য নাগরিক সুবিধার বিষয়গুলো আমরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। পর্যায়ক্রমে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে উন্নয়নকাজ অব্যাহত থাকবে। তিনি সংশ্লিষ্টদের নির্মাণকাজে গুণগত মান বজায় রাখার পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার আহ্বান জানান।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রয়োজন ছিল। বর্ষা মৌসুমসহ বছরের বিভিন্ন সময়ে সড়কের দুরাবস্থার কারণে স্থানীয়দের চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, রোগী, ব্যবসায়ী ও কর্মজীবী মানুষকে নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। সড়কটি নির্মাণ হলে স্থানীয় মানুষের চলাচল আরও সহজ হবে এবং আশপাশের এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা। একই সঙ্গে কৃষিপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনেও সুবিধা হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ সড়কটির নির্মাণকাজ দ্রুত শুরু ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার দাবি জানান।