বাসস
  ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৫৮

শিক্ষার্থীর কল্যাণ নিশ্চিত করাই শিক্ষকদের মূল দায়িত্ব হওয়া উচিত: আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী

ছবি : বাসস

ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : শিক্ষার্থীদের কেন্দ্র করেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সকল কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়, তাই তাদের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়া এবং যেকোনো সমস্যায় পাশে দাঁড়ানোই একজন শিক্ষকের মূল দায়িত্ব। এমন মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী।

আজ (সোমবার) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) কেন্দ্রীয় সম্মেলন ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে চার মাসব্যাপী বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. আনোয়ারউল্লাহ বলেন, ‘যে শিক্ষক শিক্ষার্থীদের মঙ্গল দেখেন না, তিনি ভালো শিক্ষক হতে পারেন না। শিক্ষার্থীদের বিপদে শিক্ষকদেরই পাশে দাঁড়াতে হবে, বন্ধুর মতো আচরণ করতে হবে এবং তাদের কাছ থেকেও শেখার মানসিকতা রাখতে হবে।’

উচ্চশিক্ষায় গুণগত পরিবর্তনের জন্য দক্ষ ও জ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষক তৈরির ওপর জোর দিয়ে তিনি নিরবচ্ছিন্ন জ্ঞানচর্চা ও বাংলা ভাষার পাশাপাশি ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জনের আহ্বান জানান। পাশাপাশি হিট প্রকল্পের আওতায় এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনকে (ইউজিসি) অভিনন্দন জানান।

ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মাছুমা হাবিব এবং বাউবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান।

ড. মামুন বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রত্যাশা অনুযায়ী শিক্ষকদের আচার-আচরণেও সংযত হতে হবে।

তিনি জানান, হিট প্রকল্পের আওতায় দেশের প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষক ও উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাপককে প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কার্যক্রম চলছে এবং শিক্ষকদের জন্য ‘বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক প্রশিক্ষণ একাডেমি’ প্রতিষ্ঠার কাজ চলছে।

অনুষ্ঠানে হিট প্রকল্পের ইউনিভার্সিটি টিচার্স ট্রেনিং একাডেমির ডিন অধ্যাপক ড. লায়লা নূর ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান ও কোর্স পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহির রায়হান বক্তব্য দেন।

উল্লেখ্য, ইউজিসি আয়োজিত এই চার মাসব্যাপী পেশাগত উন্নয়ন বিষয়ক বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে ৩৩টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৮ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।