শিরোনাম

ঢাকা, ২৩ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : দেশের নির্দিষ্ট কিছু উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দুই রাউন্ড ব্যাপী ‘মুখে খাওয়ার প্রিভেন্টিভ কলেরা ভ্যাকসিন’ (পিওসিভি) পরিপূরক টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য মাঠপর্যায়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তা ও প্রধান শিক্ষকদের নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচির আওতায় গতকাল ২২ আগস্ট থেকে প্রথম ডোজের টিকাদান শুরু হয়েছে এবং দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়া হবে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে।
মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) প্রফেসর মো. সাখাওয়াত হোসেন খান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।
নির্দেশনা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৭টি থানা (গেন্ডারিয়া, কদমতলী, লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর, খিলক্ষেত, তেজগাঁও ও শেরেবাংলা নগর) এবং মুন্সিগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ সদর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর ও নবীনগর এবং কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ, তাড়াইল ও হোসেনপুর উপজেলার ১ বছর ও তদুর্ধ্ব সকল জনগোষ্ঠীকে (গর্ভবতী নারী ব্যতীত) এ টিকার আওতায় আনা হচ্ছে।
কার্যক্রমটি সুচারুভাবে সম্পাদনে সংশ্লিষ্ট জেলা, উপজেলা ও থানা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, সহকারী শিক্ষা অফিসার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের স্বাস্থ্যকর্মীদের পূর্ণ সহায়তার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, শিক্ষার্থীদের টিকা নিশ্চিত করতে vaxepi.gov.bd ওয়েবসাইটে জন্ম সনদ নম্বরের মাধ্যমে অনলাইন নিবন্ধনে আইসিটি শিক্ষকসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা সহায়তা করবেন। যেসকল শিক্ষার্থী নিবন্ধনে জটিলতায় পড়বে, বিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগ তাদের সরাসরি সহযোগিতা প্রদান করবে।
এ ছাড়া অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে শিক্ষা অফিসের নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ড্যাশবোর্ডে প্রচার চালানো, শিক্ষার্থীদের টিকাদান কেন্দ্রে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সম্পৃক্ত করা এবং কর্মকর্তা পর্যায়ে দৈবচয়ন ভিত্তিতে বিদ্যালয় ও কেন্দ্রগুলো নিবিড় পরিবীক্ষণের তাগিদ দেওয়া হয়েছে।