বাসস
  ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৬:২৩

বৃক্ষরোপণের সামাজিক আন্দোলনকে বিস্তৃত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা স্বপনের

ছবি : বাসস

ঢাকা, ২৩ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : জলবায়ু পরিবর্তনের পরিবেশগত ঝুঁকি মোকাবিলা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দেশকে বাসযোগ্য করে রাখতে বৃক্ষরোপণ ও সবুজায়নকে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে চলমান সামাজিক আন্দোলনকে বিস্তৃত করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন।

আজ রোববার গাজীপুরে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে কৃষিবিদ অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম আনুষ্ঠানিক সভায় উপস্থিত হয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, পরিবেশ ও ইকোসিস্টেমের যত্ন নেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। মহাবিশ্বে জীবন ধারণের জন্য একমাত্র পৃথিবীর পরিবেশগত ভারসাম্যের ওপর আমাদের নির্ভর করতে হচ্ছে। তাই কেবল যান্ত্রিক উন্নয়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মেধা ও বিবেককে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তে আমাদের কাজ করতে হবে।

জলবায়ু সংকটের বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, অতিরিক্ত জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের ফলে তৈরি কার্বন নিঃসরণে তাপমাত্রা বাড়ছে এবং উপকূলীয় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। বৈশ্বিক এই সংকট কাটাতে সবুজায়ন ও বনায়নের কোনো বিকল্প নেই।

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে দূরদর্শী পদক্ষেপ গ্রহণ ও বৃক্ষরোপণ আন্দোলন শুরু করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায়  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে বর্তমান সরকার আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মেগা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যার এ বছরের লক্ষ্যমাত্রা ইতোমধ্যে সফলভাবে অর্জিত হয়েছে।

তিনি প্রতিটি পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের অংশগ্রহণে ‘একটি শিশু, একটি বৃক্ষ’ ভাবনায় সারা দেশে সবুজায়নের ব্যাপক প্রসারের জোর তাগিদ দেন। একইসঙ্গে এই সামাজিক আন্দোলন সফল করতে কৃষিবিদ সম্প্রদায়কে অগ্রণী ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান।

কৃষিবিদ ড. কামরুজ্জামান কায়সারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি, শহিদুল ইসলাম বাবুল এমপি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব সেলিম খানসহ অ্যাসোসিয়েশনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেন।