শিরোনাম

নোয়াখালী, ১৫ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সারাদেশের ন্যায় নোয়াখালীতেও দীর্ঘদিন ধরে অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থের অপেক্ষায় থাকা এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য ‘ইএফটিআই আইবিএএস’-এর মাধ্যমে অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্ট সুবিধার অর্থ প্রধান অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেছেন।
আজ শনিবার বেলা ১১টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন থেকে সরাসরি ও একযোগে সারাদেশে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই কার্যক্রমের উদ্ভোধন করেন তিনি।
নোয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনসহ নোয়াখালীর ৯ উপজেলার শতাধিক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার ঠেকার হাট হাজী আহাম্মদ উল্যাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মনোতোষ সেন গুপ্ত বলেন, 'শিক্ষকতা থেকে অবসরের পর অবসরকালীন ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের টাকার জন্য ৩-৪ বছরের বেশি সময় ধরে ঘুরতে হতো। মন্ত্রণালয় থেকে অধিদপ্তর, বোর্ড থেকে এজি অফিস-স্কুল এসব স্থানে ঘুরতে ঘুরতেই অসুস্থ হয়ে যেতো অনেকে। অনেক শিক্ষক কর্মচারী নিজেদের অবসর ভাতার টাকা নিজ চোখে দেখার আগেই মৃত্যুবরণও করেছেন। এখন আর আমাদের অবসর ভাতা ও কল্যাণ ট্রাস্টের টাকার জন্য বিভিন্ন দপ্তরে যেতে হবে না। '
তিনি বলেন, 'আইবিএএসের মাধ্যমে ইএফটি হয়ে সরাসরি আমাদের অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের ভাতা আমাদের ব্যাংকে জমা হবে। এতে আমাদের ভোগান্তি পোহাতে হবে না।'
সেনবাগ উপজেলার ছিলোনিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আবদুস ছাত্তার বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী আজ যে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন এতে আমরা বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বেসরকারি শিক্ষকরা এতোদিন চাকরি থেকে অবসরের পর ভাতার জন্য অনেকের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হতো। আজ থেকে সেসব দুর্ভোগের ইতি ঘটেছে এবং নতুন দিগন্তের উন্মোচন হয়েছে।'
উল্লেখ্য, এই কার্যক্রমের উদ্ভোধনের মাধ্যমে নোয়াখালীতে ৪৯৪ জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারী অবসর সুবিধার অর্থ ও ৮৪১ জন কল্যাণ ট্রাস্ট সুবিধার অর্থ আইবিএএসে মাধ্যমে সুবিধাভোগী হয়েছেন।