বাসস
  ১৪ আগস্ট ২০২৬, ১৭:১০

ঈশ্বরদীতে শিক্ষার্থীদের পারমাণবিক বিজ্ঞান শিক্ষা কর্মসূচি ও ভ্রাম্যমাণ বিজ্ঞান জাদুঘর প্রদর্শনী

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা, ১৪ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের আওতায় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের সহযোগিতায় ঈশ্বরদী উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘পারমাণবিক বিজ্ঞান শিক্ষা বিষয়ক কর্মসূচি এবং ভ্রাম্যমাণ বিজ্ঞান জাদুঘর প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৩ ও ১৪ আগস্ট অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে ইক্ষু গবেষণা উচ্চ বিদ্যালয়, আলহাজ্ব টেক্সটাইল মিলস উচ্চ বিদ্যালয়, মানিকনগর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং জামিয়াতুল কুরআনুল কারীম মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

কর্মসূচিতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের ভ্রাম্যমাণ বিজ্ঞান জাদুঘর ‘মিউজুবাস’-এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন মিথস্ক্রিয়ামূলক বৈজ্ঞানিক প্রদর্শনী উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের প্রতিনিধিরা পারমাণবিক শক্তি, বিকিরণ, পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বিষয়ে তথ্যভিত্তিক আলোচনা করেন।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রশ্নোত্তর পর্ব ও পরমাণু বিজ্ঞানবিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের বৈজ্ঞানিক তথ্য বিভাগের পরিচালক ড. আনন্দ কুমার দাস বলেন, শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহী করা এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সম্পর্কে সঠিক তথ্য তুলে ধরার লক্ষ্যেই এ আয়োজন। মিউজুবাসের মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ বিজ্ঞান প্রদর্শনী, কুইজ প্রতিযোগিতা ও প্রশ্নোত্তর পর্বের মতো ইন্টার‌্যাকটিভ কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের জন্য সহজ ও আনন্দদায়কভাবে বিজ্ঞান শেখার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের ফোকাল পয়েন্ট (গণমাধ্যম) ও ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক তথ্য কর্মকর্তা সৈকত আহমেদ বলেন, শিক্ষাজীবনের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের কাছে সঠিক ও তথ্যভিত্তিক ধারণা পৌঁছে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। মিউজুবাসের মতো উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্ক করে গড়ে তোলার পাশাপাশি পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কে জানার সুযোগ সৃষ্টি করছে।

আয়োজকরা জানান, ভ্রাম্যমাণ বিজ্ঞান শিক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি, পারমাণবিক বিজ্ঞান সম্পর্কে তথ্যভিত্তিক ধারণা প্রদান এবং বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পর্কে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে ইতিবাচক ও বাস্তবসম্মত ধারণা তৈরি করা সম্ভব হবে।