বাসস
  ১২ আগস্ট ২০২৬, ১৯:২০

বর্তমান সরকারের অধীনে তথ্য বিভ্রান্তির সুযোগ নেই : অর্থমন্ত্রী

তিন দিনব্যাপী জাতীয় সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি : বাসস

ঢাকা, ১২ আগস্ট, ২০২৬(বাসস): তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাকে সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য উল্লেখ করে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বর্তমান সরকার কোনো ধরনের তথ্য বিভ্রান্তি করবে না। তিনি বলেন, সঠিক তথ্য-উপাত্ত জননীতি প্রণয়নের জন্য অপরিহার্য।

আজ বুধবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে (বিসিএফসিসি) ‘নেভিগেটিং ফাইভ ইয়ার স্ট্র্যাটেজিক ফ্রেমওয়ার্ক ফর অ্যাচিভিং এসডিজিস: পলিসি, পার্টনারশিপ অ্যান্ড প্রায়োরিটিজ’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী জাতীয় সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বিগত সময়ে পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যে যে বিভ্রান্তি বা ‘মিসইনফরমেশন’ জনগণের কাছে দেওয়া হয়েছে, বর্তমান সরকারের অধীনে তার কোনো সুযোগ নেই উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার যাতে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে নীতি প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত নিতে পারে, সে জন্য নির্ভুল তথ্য নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, ‘বরং আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বলছি, আমাদের সঠিক তথ্য দিতে হবে, যাতে আমরা সেই অনুযায়ী কাজ করতে পারি। সরকার যদি সঠিক তথ্য না পায়, তাহলে কীভাবে নীতি প্রণয়ন করবে?’

মন্ত্রী বলেন, তিনি নিজেও কিছু তথ্য যাচাই করেছেন। এর মধ্যে চাল ও মাংসের দাম কমার তথ্যও রয়েছে। সর্বশেষ মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট তথ্য একাধিকবার পর্যালোচনা ও যাচাই করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আমির খসরু বলেন, ‘আমরা তথ্য কয়েকবার যাচাই করেছি এবং বেশ কয়েকটি বৈঠক করেছি। নতুন মূল্যস্ফীতির তথ্য সঠিকভাবেই দেওয়া হয়েছে।’

সরকারের যথাযথ নীতি সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য সঠিক পরিসংখ্যানের গুরুত্ব বিশেষভাবে তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী। 

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি বলেন, মূল্যস্ফীতি কীভাবে পরিমাপ ও হিসাব করা হয়, তা নিয়ে ভবিষ্যতে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

তিনি বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি কীভাবে পরিমাপ করা হয়, পুরো প্রক্রিয়াটি আপনাদের সামনে তুলে ধরব। তখন আপনারা সরকারের তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি বুঝতে পারবেন এবং এ ধরনের আরও প্রশ্নের উত্তর আমরা দেব।’

বাংলাদেশের পাঁচ বছর মেয়াদি কৌশলগত কাঠামো এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়ন নিয়ে নীতিনির্ধারক, বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের আলোচনা শেষে আজ তিন দিনব্যাপী জাতীয় সম্মেলনটি শেষ হয়েছে।