শিরোনাম

নোয়াখালী, ৬ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নৌপথে চলাচলকারী সকল নৌযানের সঠিক তথ্য, ট্র্যাকিং সিস্টেম থাকা দরকার। পাশাপাশি চলাচলের জন্য অবশ্যই নৌ পরিবহনগুলোর অথারাইজেশন সিস্টেম থাকা আবশ্যক। তাদের ছেড়ে আসা ও যাওয়ার অর্থাৎ গন্তব্যের তথ্য নিশ্চিত করা গেলে নৌপথের নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে।
বৃহস্পতিবার সকালে নোয়াখালী জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো আয়োজিত নৌযান শুমারি-২০২৬ এর অবহিতকরণ সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, জলপথে চলাচলকারী প্রতিটি নৌযানের নিবন্ধন দরকার এবং নিবন্ধনকৃত দৃশ্যমান নিবন্ধন নাম্বার তার গায়ে সুনির্দিষ্ট অবস্থায় রাখা দরকার। পাশাপাশি জিপিএস সিস্টেম থাকলে দুর্যোগসহ যেকোন দুর্ঘটনায় তাৎক্ষণিক তাদের অবস্থান চিহ্নিত করে উদ্ধার অভিযান চালানো সম্ভব হবে।
উন্নত বিশ্বে পরিসংখ্যান বিভাগকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্যের মাধ্যমে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা নেয়া হয়। আমাদের দেশে এই বিভাগে অতীতে কিছু ঘাটতি থাকলে বর্তমানে পরিসংখ্যান বিভাগকে অনেক আধুনিকায়ন করা হয়েছে। আমাদের যাতায়াত ব্যবস্থাপনা ও পণ্য পরিবহনে জলপথ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পরিসংখ্যান বিভাগের চলমান নৌযান শুমারির শেষে নৌপথের বাস্তব চিত্র উঠে আসবে এবং সরকারের নীতি নির্ধারণ পর্যায়ে ঘাটতি পূরণে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হবে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর বেগমগঞ্জ উপজেলা কর্মকর্তা বিপ্লব চক্রবর্তীর সঞ্চালনায় সেমিনারে শুমারির বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন জেলা পরিসংখ্যান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. জান্নাতুল বাকী।
এ সময় তিনি বলেন, শুমারির প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী নোয়াখালীতে ২ হাজার ৩৪৩টি ইঞ্জিন চালিত নৌযান রয়েছে। আগামী ২০ থেকে ২৯ আগস্ট চূড়ান্ত ধাপে শুমারির কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। নোয়াখালীর হাতিয়া, সুবর্ণচর ও কোম্পানীগঞ্জে উপজেলার ৬৬টি ঘাট পয়েন্ট ও নৌ-সীমানায় চলবে কার্যক্রম।
এ সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন, হাতিয়া উপকূলীয় নদী বন্দরের পরিবহন পরিদর্শক মো. মাসুম বিল্লাহ, নৌ-পুলিশ পরিদর্শক আশীষ চন্দ্র সাহা, নৌ পরিবহন অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. আশিকুর রহমান, বিআইডব্লিউটিসির প্রতিনিধি মিহির চন্দ্র ভৌমিকসহ জেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।