শিরোনাম

ঢাকা, ৬ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ হাইকমিশন যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালন করেছে।
পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। এরপর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় নির্মিত ‘জুলাইয়ের চিঠি’ এবং ‘ছাদ আকাশের গল্প’ শীর্ষক দুটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
দিবসটির তাৎপর্য নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং আহতসহ আন্দোলনের সব অংশগ্রহণকারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার এক যুগান্তকারী অধ্যায়। তিনি এটিকে দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় গণতন্ত্রকামী মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি জুলাইয়ের চেতনা সমুন্নত রাখতে জাতীয় ঐক্য অটুট রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে গণআন্দোলনের সূচনা হয়েছিল, তা শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শ্রমিক, কৃষক, রিকশাচালক, চিকিৎসক, আইনজীবী, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, গৃহবধূ, নারী ও শিশুসহ সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
তারা শহীদ আবু সাঈদ, শহীদ মোহাম্মদ ওয়াসিম আকরাম, শহীদ মুগ্ধসহ সব শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তাদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
অনুষ্ঠান শেষে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত আরোগ্য এবং দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও উন্নতি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, সাংবাদিক, কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ এবং হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।