বাসস
  ২২ জুলাই ২০২৬, ০০:০৭

বাংলাদেশে টেকসই মৎস্য চাষ উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার নেদারল্যান্ডসের

ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা, ২১ জুলাই, (বাসস) : বাংলাদেশের মৎস্য খাতের টেকসই উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে নেদারল্যান্ডস।

বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল আজ ময়মনসিংহের তারাকান্দায় ‘ফুডটেকবাংলাদেশ’ কর্মসূচির আওতায় অ্যাকুয়াকালচার সেন্টার অব এক্সিলেন্স (সিওই) উদ্বোধনকালে এ ঘোষণা দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ড. মো. খালেদ কনক।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম, মৎস্য অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ বিভাগের পরিচালক নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস এবং ফিশটেক (বিডি) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আতাউল করিম ভূঁইয়াসহ অন্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

ফিশটেক (বিডি) লিমিটেডের চেয়ারম্যান খন্দকার ফারহাদ হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন খাতের প্রায় ২০০ জন প্রতিনিধি এতে অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল বলেন, ‘ফুডটেকবাংলাদেশ’ বাংলাদেশে ডাচ ডায়মন্ড অ্যাপ্রোচ বাস্তবায়নের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল বলেন,‘‘ফুডটেকবাংলাদেশ’ বাংলাদেশে ডাচ ডায়মন্ড পদ্ধতির প্রয়োগের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।’

তিনি বলেন, ‘এই সেন্টার অব এক্সিলেন্স প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে কৃষকরা আধুনিক মৎস্যচাষ প্রযুক্তি সম্পর্কে আরও ব্যাপকভাবে জানতে ও তা গ্রহণ করতে পারবেন। একই সঙ্গে এটি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াবে এবং খাতটির দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।’

তিনি আরও বলেন, গত কয়েক বছর ধরে নেদারল্যান্ডস গর্বের সঙ্গে এ উদ্যোগে সহযোগিতা দিয়ে আসছে।

ড. মো. খালেদ কনক বলেন, সীমিত জমি ব্যবহার করেও উচ্চ উৎপাদনশীলতা অর্জন সম্ভব। এ ক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডস একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

ড. মো. খালেদ কনক বলেন, সীমিত জমি ব্যবহার করেও উচ্চ উৎপাদনশীলতা অর্জন করা সম্ভব।

তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডস একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বাংলাদেশের মৎস্য খাতকে আরও এগিয়ে নিতে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি উপযুক্ত প্রযুক্তির সমন্বয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

কর্মসূচি শুরুর পর থেকে ‘ফুডটেকবাংলাদেশ’ ৬০টিরও বেশি বাণিজ্যিক পরীক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেছে এবং অনলাইনে ৮০০ জনের বেশি ও সরাসরি প্রায় ৬০০ জন কৃষককে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। এর মাধ্যমে কারিগরি জ্ঞান বৃদ্ধি এবং টেকসই মৎস্যচাষ পদ্ধতির প্রসারে সহায়তা করা হয়েছে।

২০২২ সালে চালু হওয়া ‘ফুডটেকবাংলাদেশ’ একটি পাঁচ বছর মেয়াদি সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বভিত্তিক কর্মসূচি। বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের যৌথ অর্থায়নে এটি বাস্তবায়ন করছে লারিভ ইন্টারন্যাশনাল এবং লাইটক্যাসল পার্টনার্স।