শিরোনাম

ঢাকা, ২১ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) : প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বর্তমানে আবেদন, বায়োমেট্রিক ও তদন্ত শেষে নিবন্ধন সম্পন্ন হলেও নতুন ব্যবস্থায় বায়োমেট্রিক তথ্য সরাসরি আপলোড করা হবে।
আজ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, ‘প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনের ব্যাপার ছিল টু স্টেপ। প্রবাসীরা ফর্ম জমা দেওয়া এবং বায়োমেট্রিক দেওয়ার পরে আমাদের কাছে তদন্তে আসতো। তদন্ত সম্পন্ন করার পরে সেটা আপলোড হতো। এখন আমরা বলছি, আপনারা আপলোড করে দিবেন বায়োমেট্রিকটা। আমরা এখানে তদন্তে যথার্থতা পেলে এখান থেকে এপ্রুভাল দিয়ে দেব। এতে একটি স্টেপ কমে যাবে।
ইসি সচিব বলেন, ভোটার এলাকা (মাইগ্রেশন) পরিবর্তনের আবেদন সম্পূর্ণ অনলাইনে গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ সেবার জন্য নির্ধারিত সংশোধন ফি নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ১৫ বছর পর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নবায়নের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফরমে পরিবারের সদস্যদের তথ্য (ফ্যামিলি ট্রি) দেওয়ার বিধান যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে, যাতে তথ্যের সামঞ্জস্য নিশ্চিত করা যায়।
তিনি বলেন, জেএসসি, এসএসসি বা অন্যান্য পাবলিক পরীক্ষার সনদে উল্লেখ থাকা জন্মতারিখের ভিত্তিতে স্থানীয় পর্যায়ের কর্মকর্তারা সংশোধনের ক্ষমতা পাবেন।
ইসি সচিব জানান, আমরা এখন ১৬ বছর ও তদুর্ধ্বদের ডাটা কালেকশন করি এনআইডির জন্য। আর যখন একজন ১৮ বছরে পৌঁছান, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে তিনি ভোটার তালিকাভুক্ত হয়ে যান। আর তার আগ পর্যন্ত এটা ডরমেন্টে থাকে।
তিনি বলেন, এই ডেটা কালেকশনটা কোন লেভেল পর্যন্ত নামানো যায়, সেটা নিয়ে আরো কিছু পর্যালোচনার পরে আমরা সিদ্ধান্ত নেব। এটা এসএসসি, ক্লাস এইট, নাকি প্রাইমারি এনরোলমেন্টÑ যেটাই হোক না কেন এ বিষয়ে তুলনামূলক বিশ্লেষণের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ইসি সচিব জানান, বর্তমানে এনআইডিতে জন্মতারিখ সংশোধনের কাজ কেন্দ্রীয়ভাবে করা হয়। এখন যাদের পাবলিক পরীক্ষার সনদে (জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি) জন্মতারিখ রয়েছে, সেই তথ্যের ভিত্তিতে সংশোধনের কাজ মাঠপর্যায় থেকেই করা হবে।