বাসস
  ০৯ জুলাই ২০২৬, ১৮:১৪

সুন্দরবনের ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ৩ সদস্যের আত্মসমর্পণ

ঢাকা, ৯ জুলাই, ২০২৬ (বাসস): সুন্দরবনের ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর তিনজন সক্রিয় সদস্য কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। 

আজ বৃহস্পতিবার কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ধারাবাহিক ও সফল অভিযানের ফলে সুন্দরবনে সক্রিয় বিভিন্ন দস্যু বাহিনী বর্তমানে ব্যাপকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। কোস্ট গার্ডের কঠোর নজরদারি, গোয়েন্দা তৎপরতা এবং নিয়মিত অভিযানের ফলে দস্যুরা তাদের কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যর্থ হচ্ছে। যার ফলশ্রুতিতে সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ৩ জন সক্রিয় সদস্য দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে কোস্ট গার্ডের নিকট আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা জানান, গত বুধবার বিকেলে বাগেরহাটের শরনখোলা থানার সুন্দরবনের তাম্বুলবুনিয়া ফরেস্ট অফিস সংলগ্ন কলামুলি খাল এলাকায় ডাকাত বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ৩ জন সদস্য অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কোস্ট গার্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করে। এসময় তাদের কাছে থাকা দুটি দেশীয় একনলা বন্দুক, একটি দেশীয় পাইপগান, ৪০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও একটি ওয়াকিটকি কোস্ট গার্ডের কাছে জমা দেয়। এছাড়াও এ সময় ডাকাত সদস্যদের কাছে জিম্মি থাকা একজন জেলেকে উদ্ধার করা হয়।

তিনি বলেন, আত্মসমর্পণকারী ডাকাত আলামিন হোসেন (৪০) বাগেরহাট জেলার মোংলা থানা, তৈবুর রহমান (২৪) সাতক্ষীরা জেলার তালা থানা এবং মনিরুজ্জামান মামুন (২০) খুলনার জেলার কয়রা থানার বাসিন্দা। বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্য হিসেবে তারা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতিসহ সাধারণ জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছিল।

জব্দকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ ও আত্মসমর্পণকারী ডাকাতদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থাসহ পরবর্তী আইনানুগ কার্যব্যবস্থা গ্রহণ এবং উদ্ধারকৃত জেলেকে পরিবারের নিকট হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।