শিরোনাম

ঢাকা, ২৪ জুন, ২০২৬ (বাসস): রাজধানীর মিরপুরে ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের পাঁচটি শাখার আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা (ডিডিও) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের পাঁচজন কর্মকর্তা।
প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকার তাদের প্রেষণে শাখা প্রধান হিসেবে এ দায়িত্ব দিয়েছে।
আজ বুধবার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব মো. আ. কুদ্দুস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের মূল ক্যাম্পাসে বিদ্যমান প্রধান শিক্ষক বহাল থাকলেও বাকি পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ শাখার আর্থিক লেনদেন, প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা ও শিক্ষার মানোন্নয়ন তদারকি করবেন পদায়নকৃত এই সরকারি কর্মকর্তারা।
আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তার দায়িত্ব পাওয়া পাঁচ বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা হলেন- মূল বালক ক্যাম্পাসের (৬০ ফিট রোড, মিরপুর) প্রধান ও আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তার দায়িত্ব পেয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) ওএসডি এবং হাজারীবাগ সরকারি কলেজে সংযুক্ত সহযোগী অধ্যাপক (বাংলা) মো. আব্দুল হালিম। কলেজ ক্যাম্পাস (রূপনগর আবাসিক এলাকা, মিরপুর) শাখার দায়িত্বে থাকবেন মাউশির ওএসডি এবং কুমিল্লার দেবিদ্বার সুজাত আলী সরকারি কলেজে ইনসিটু কর্মরত সহযোগী অধ্যাপক (ব্যবস্থাপনা) মো. নজরুল ইসলাম।
এতে বলা হয়, ব্রাঞ্চ-১ ক্যাম্পাস (রূপনগর আবাসিক এলাকা, মিরপুর)- এর আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তা হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে মাউশির ওএসডি এবং টাঙ্গাইলের কুমুদিনী সরকারি কলেজে ইনসিটু কর্মরত সহযোগী অধ্যাপক (ইংরেজি) মোহাম্মদ আকতার হোসেনকে।
ব্রাঞ্চ-২ ক্যাম্পাস (ইব্রাহিমপুর, কাফরুল) শাখার প্রধান করা হয়েছে মাউশির ওএসডি এবং গাজীপুরের ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজে ইনসিটু কর্মরত সহযোগী অধ্যাপক (রসায়ন) শেখ শাহরীয়ার হাসানকে।
ব্রাঞ্চ-৩ ক্যাম্পাস (শেওড়াপাড়া, মিরপুর) শাখার দায়িত্ব পেয়েছেন টাঙ্গাইলের সরকারি মাওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজের সহকারী অধ্যাপক (দর্শন) মুহাম্মদ নূর-এ-আলম।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, পদায়নকৃত কর্মকর্তাদের আগামী ২৮ জুনের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল হতে অবমুক্ত হতে হবে। অন্যথায় ওই দিন অপরাহ্নে তারা তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত মর্মে গণ্য হবেন বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মনিপুর স্কুল ও কলেজের বিভিন্ন শাখায় দীর্ঘদিন ধরে চলা অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা এবং আর্থিক অসংগতি দূর করে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেই বিসিএস কর্মকর্তাদের সরাসরি আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তার আর্থিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতা দিয়ে সেখানে পাঠানো হয়েছে।