বাসস
  ১৮ জুন ২০২৬, ১৮:২২

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ বছর মেয়াদি একাডেমিক পরিকল্পনা প্রণয়নে কর্মশালা

ছবি : বাসস

ঢাকা, ১৮ জুন, ২০২৬ (বাসস): ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন, শিক্ষা ও গবেষণার উৎকর্ষ সাধন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ‘একাডেমিক ডেভেলপমেন্ট প্ল্যান ফর ঢাকা ইউনিভার্সিটি’ শীর্ষক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল মোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক মো. ইসরাফিল প্রাং, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, বিভিন্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক, শিক্ষকবৃন্দ এবং কর্মকর্তারা।

কর্মশালায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রস্তাবিত ২০ বছর মেয়াদি একাডেমিক পরিকল্পনার একটি প্রাথমিক রূপরেখা উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান গবেষণা ও শিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. সৈয়দ শাহাদৎ হোসেন, অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. হাসিনা খান এবং অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক মো. রাশেদুর রহমান।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জাতীয় অগ্রগতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, গণতান্ত্রিক আন্দোলনসহ বিভিন্ন জাতীয় অর্জনে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অনন্য। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে দীর্ঘমেয়াদি, টেকসই ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণের বিকল্প নেই।

উপাচার্য আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকদের মেধা, দক্ষতা এবং সম্ভাবনা অত্যন্ত সমৃদ্ধ। এসব সম্পদকে কার্যকরভাবে কাজে লাগিয়ে আগামী কয়েক দশকের উন্নয়ন-পরিকল্পনা প্রণয়ন করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাতারে উন্নীত করা যায়। তিনি উল্লেখ করেন, পরিকল্পনাটি এমনভাবে প্রণয়ন করতে হবে, যেন সময়ের পরীক্ষায় টিকে থাকে এবং ধারাবাহিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাকে এগিয়ে নিতে পারে।

তিনি কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষকবৃন্দকে প্রস্তাবিত পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক নিয়ে গঠনমূলক মতামত ও সুপারিশ প্রদানের আহ্বান জানিয়ে বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রজ্ঞা, অভিজ্ঞতা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি কার্যকর ও ভবিষ্যতমুখী একাডেমিক রূপরেখা প্রণয়ন করা সম্ভব হবে, যা আগামী দুই দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষকবৃন্দ প্রস্তাবিত পরিকল্পনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতামত ও সুপারিশ প্রদান করেন।