শিরোনাম

ঢাকা, ২৮ মে, ২০২৬ (বাসস) : রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে পর্যায়ক্রমে পবিত্র ঈদুল আযহার ৫টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পবিত্র ঈদুল আযহার প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৭টায়।
প্রথম জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মুফতি মো. মিযানুর রহমান। মুকাব্বির হিসেবে ছিলেন মসজিদের মুয়াজ্জিন ক্বারি ইসহাক।
দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৮টায় । ইমামতি করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) জাকাত ফান্ড বিভাগের পরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) ড. মাওলানা ওয়ালীয়ূর রহমান খান। মুকাব্বিরের দায়িত্ব পালন করেন মসজিদের প্রধান খাদেম মো. নাসির উল্লাহ।
তৃতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৯টায়। এতে ইমামতি করেন ফাউন্ডেশনের মুফতি মো. আব্দুল্লাহ। মুকাব্বির হিসেবে ছিলেন মো. রুহুল আমিন।
সকাল ১০টায় চতুর্থ জামাতে ইমামতি করেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বীনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগের উপ-পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মাওলানা মোহাম্মদ নূর উদ্দীন।
মুকাব্বিরের দায়িত্ব পালন করেন মো. আব্দুল হাদী।
পঞ্চম বা সর্বশেষ জামাত বেলা পৌনে ১১ টায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির ধর্মীয় প্রশিক্ষক জুবাইর আহাম্মদ আল-আযহারী। মুকাব্বির হিসেবে ছিলেন মো. আমির হোসেন।
বিকল্প ইমাম হিসেবে ছিলেন ফাউন্ডেশনের সহকারী লাইব্রেরিয়ান মো. শহিদুল ইসলাম। এছাড়া বিকল্প মুকাব্বির হিসেবে ছিলেন মো. শামসুল হক।
প্রতিটি জামাত শেষে পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে গুনাহ থেকে মাফ চেয়ে দেশ, জাতি ও বিশ্ব সম্প্রদায়ের জন্য কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
মোনাজাতে প্রত্যেকের কোরবানি ও এবাদত যেন আল্লাহ কবুল করেন সে জন্য আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানানো হয়।
এছাড়া মোনাজাতে মৃত আত্মীয়-স্বজনদের জন্য জান্নাত কামনা করা হয়। এ সময় মুসল্লিদের অনেকেই চোখের জলে নিজের গুনাহের জন্য আল্লাহর কাছে মাফ চান এবং বিশ্ববাসীর কল্যাণ কামনা করেন।