শিরোনাম

ঢাকা, ১৭ মে, ২০২৬ (বাসস): স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, সিটি কর্পোরেশন গুলোতে রাজনৈতিক প্রশাসক নিয়োগ ছিল প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী সিদ্ধান্ত। এর ফলে নাগরিক সেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নগর ব্যবস্থাপনায় দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে।
আজ বুধবার জাতীয় ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতের প্রস্তুতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সিটি কর্পোরেশন গুলোতে দলীয় প্রশাসক নিয়োগদানের ফলে নাগরিক সেবা যে বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, তার অন্যতম উদাহরণ ডিএসসিসি।’
তিনি বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, মশক নিয়ন্ত্রণ এবং নগর সবুজায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন আগের তুলনায় অনেক বেশি অগ্রগতি অর্জন করেছে।
জাতীয় ঈদগাহের প্রস্তুতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে মীর শাহে আলম জানান, এবার ঈদগাহে ১২১টি কাতারে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন। ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়।
তিনি বলেন, মুসল্লিদের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য পুরো ঈদগাহে পর্যাপ্ত ফ্যান, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানি, ওযুখানা, ভ্রাম্যমাণ টয়লেট এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নারী মুসল্লিদের জন্যও পৃথক প্রবেশপথ ও নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে ডিএসসিসির প্রস্তুতিরও প্রশংসা করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, প্রথম দিনের বর্জ্য মাত্র ৮ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা নগর ব্যবস্থাপনায় একটি বড় উদ্যোগ।
পরে বুয়েট সংলগ্ন পলাশী অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের (এসটিএস) সৌন্দর্যবর্ধন কাজের উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় এসটিএসের দেয়ালে আঁকা লালবাগ কেল্লা ও আহসান মঞ্জিলের নান্দনিক গ্রাফিতির প্রশংসা করে তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি নাগরিকদের মধ্যেও ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেবে।
পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।